রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি: আদর্শের রাজনীতিতে চড়াই-উৎরাই থাকবে। সবসময় আপনি পুরস্কৃত হবেন এমনটি নয়। কখনও আপনার পরীক্ষার সময়,কখনও আপনাকে কঠিন সময় পার করতে হবে,। কিন্তু,সব কিছুকে মাড়িয়ে যিনি ত্যাগ ও আদর্শের পতাকা উর্ধ্বে তুলে ধরবেন, তিনি সত্যিকারের রাজনীতিবিদ।
তেমনী একজন আদর্শবান জিয়া অন্তপ্রাণ নেতা মো. দুলাল হোসেন। আদর্শ তার ধমনীতে। তিনি একজন সৎ রাজনীতিকের পথিকৃৎ। ধ্যান, মন ও জ্ঞান যাঁর দেশ ও জনকল্যাণ। তাইতো বার বার বঞ্চিত হয়েও তিনি ত্যাগ ও আদর্শের আলোয় উদ্ভাসিত। মনোনয়ন না পেয়েও তিনি তাৎক্ষনিক দলের বৃহত্তর স্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন।
এর মধ্য দিয়ে আপদামস্তক রাজনীতিক দুলাল হোসেন প্রমাণ করেছেন,ভোগে নয় ত্যাগেই প্রকৃত সুখ ও আদর্শই রাজনীতিতে শেষ কথা। কিছু পাওয়া না পাওয়ার হিসাবটা সাময়িক। নিজের ব্যাক্তি স্বার্থের চেয়ে দল,দেশ ও দলীয় প্রধানের স্বার্থ তার কাছে বড়। তিনি মনোনয়ন না পেয়েও আদর্শচ্যূত হননি,
তার সমর্থক নেতা-কর্মীদের দাবীর প্রেক্ষিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হতে পারতেন কিন্তু সে পথে না হেটে দলের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেছেন। বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে দলের প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে বিজয়ী করতে নির্বাচনী মাঠে কাজ করার দৃঢ় অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন।
দুলাল হোসেন প্রমাণ করেছেন তিনি ত্যাগের মহিমা ও আদর্শের আলোয় উদ্ভাসিত একজন নিবেদিত প্রাণ নেতা।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দুলাল হোসেন বলেন, শুধু এমপি হিসেবে নয় মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া দল বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে থাকাটাও গৌরবের। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনগনের স্বতঃস্ফুর্ত অংশ গ্রহণে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে দল নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। তারেক রহমান ,প্রধানমন্ত্রী হয়ে সুখী সমৃদ্ধশালী স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়বেন সেই উন্নয়ন অভিযাত্রায় তার সারথী হবো।
