More

    চাল চেয়ে চেয়ারম্যানের হাতে লাঞ্ছনার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    অবশ্যই পরুন

    ভিজিএফ-এর চাল নিয়ে অনিয়ম এবং চাল চেয়ে চেয়ারম্যানের হাতে লাঞ্ছনার শিকার জেলেরা প্রতিকার চেয়ে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ট্রলারে তারা পটুয়াখালী জেলা শহরের এসে প্রথমে জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচী পালন করে। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করে।

    এ সময় শতাধিক জেলে ভিজিএফ-এর চাল নিয়ে অনিয়মের প্রতিবাদ জানায়। তারা রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জামান খান মামুনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়।

    ভুক্তভোগী জেলেদের মধ্য আবু জাফর গাজী, ফোরকান হাওলাদার, শুক্কুর মৃধা, তসলিম মুন্সি, মোশারেফ ফরাজিসহ একাধিক জেলে বলেন, তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও তারা ভিজিএফ-এর চাল পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে অন্য পেশার লোকজন জেলেদের ভিজিএফ কার্ড হাতিয়ে নিয়ে চাল তুলে নিচ্ছে। অথচ করোনার এই দুর্যোগে প্রকৃত জেলেরা সহায়তা পাচ্ছে না।

    এর আগে চাল চাইতে গেলে চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান খান মামুন, ইউপি সদস্য রহিম চৌকিদার এবং মহিলা কাউন্সিলর নারগিস পারভিন কল্পনা তাদের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে জেলেদের মারধোরসহ লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে মৌখিক নালিশ জানালেও প্রতিকার হয়নি। বিক্ষুব্ধ জেলেদের দাবি, এ কারণে তারা জেলা প্রশাসকের কাছে বিচার দিতে এসেছেন।

    এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত সাইদুজ্জামান খান মামুন বলেন, জেলে কার্ড সীমিত এবং পর্যাপ্ত সহায়তা না থাকায় জেলেদের প্রত্যাশা মেটানো যাচ্ছে না। মারধোরের বিষয়টি সত্য নয়। সদর ইউনিয়নে কার্ডধারী জেলের সংখ্যা ২ হাজার ৭০০। বরাদ্দ পাওয়া গেছে মাত্র ১ হাজার ৬০০ জেলের। ফলে বঞ্চিত জেলেদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Dlaczego rejestracja w Vox Casino się zacina: typowe opóźnienia i rozwiązania

    Spis treściNajczęstsze błędy podczas wypełniania formularza rejestracyjnegoWeryfikacja konta i dokumentów (proces KYC)Problemy techniczne po stronie kasyna i graczaBonus powitalny...