More

    মিয়ানমারে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দানা বাঁধছে নতুন সন্দেহ

    অবশ্যই পরুন

    সম্প্রতি থাইল্যান্ড সফরে গেছেন জান্তা সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উন্না মং লুইন। প্রথমবারের মত দক্ষিণপূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ান সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শ করতে বিদেশ সফরে গেছেন তিনি।

    বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    থাইল্যান্ড সফরে থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথেও লুইনের বৈঠক অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বৈঠকের এই উদ্যোগ নিয়ে মিয়ানমারে গণতন্ত্রের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে নতুন করে সন্দেহ দানা বাঁধছে।

    বিক্ষোভকারীরা মনে করছেন এই উদ্যোগের মাধ্যমে জান্তা সরকারকে বৈধতা দেওয়া হতে পারে।

    মিয়ানমারের সমস্যা সমাধানের জন্য কূটনৈতিক উপায়ে সংকট উত্তরণের উদ্যোগ নিয়েছে আসিয়ান জোটের প্রভাবশালী দেশ ইন্দোনেশিয়া। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই জান্তা সরকারের মন্ত্রীর সঙ্গে থাইল্যান্ডে বৈঠক করছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি।

    থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক চলমান এই উদ্যোগ নিয়ে সন্দেহপ্রবণ হয়ে উঠেছেন মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীরা। বুধবার ইয়াঙ্গুনে থাই দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। বিক্ষোভকারীরা সেখানে মিয়ানমারের নির্বাচনের ফলাফলের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর আহ্বান জানান। তারা স্লোগান দেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সূ চি।’

    এদিকে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছেন থাই প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচা। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘কিছু বিষয় আনুষ্ঠানিক নয়। আমরা আসিয়ান দেশগুলোর সহায়তার প্রতি সমর্থন রাখছি আর সবকিছু নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে শুভ কামনা জানাচ্ছি।’

    এদিকে মিয়ানমারে ক্রমেই জোরালো হচ্ছে সামরিক অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ। সেনাবাহিনীর নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশি বাধা সত্ত্বেও দেশজুড়ে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। বুধবারও সকাল গড়াতেই জান্তা শাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ মানুষ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আন্দোলনে যোগ দেন সকলেই।

    মিয়ানমারের জান্তা সরকার পাঁচ জনের বেশি মানুষ জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও তা উপেক্ষা করে ইয়াঙ্গুন, নেইপিদো, ম্যান্দালের পাশাপাশি অন্যান্য বড় শহরেও ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। অবিলম্বে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি জানান আন্দোলনকারীরা। একইসঙ্গে গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সূ চির মুক্তি দাবি করেন তারা।

    তবে বিক্ষোভকারীদের দমানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে মিয়ানমার পুলিশ। বুধবার দেশটির বিভিন্ন শহরের প্রধান রাস্তাগুলো বন্ধ করে সশস্ত্র অবস্থান নেয় নিরাপত্তাবাহিনী।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....