More

    বাউফল/ সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি

    অবশ্যই পরুন

    দৈনিক প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধ সাংবাদিকেরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাঁর মুক্তি না হলে কঠোর কর্মসূচির দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

    আজ বুধবার বাউফল প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে তাঁরা এ কথা বলেন। বাউফল প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচিতে বাউফলে কর্মরত সাংবাদিকেরা অংশ নেন।

    আজ বুধবার বেলা ১১ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে সাংবাদিকেরা বলেন, নিজের চোখকে যেভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করেন, গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে গণমাধ্যমকে সেভাবেই রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। সরকার বাহাদুরকে উদ্দেশ করে আরও বলেন, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা কোনো সরকারের বন্ধু হতে পারে না। তথ্য অনুসন্ধানের জন্য গিয়ে একজন সাংবাদিককে কেন জেলে যেতে হবে? কারা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চায়, গণমাধ্যমকে সরকারের প্রতিপক্ষ সাজাতে চায়, তা-ও খুঁজে বের করতে হবে।

    বাউফল প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান ওরফে বাচ্চু বলেন, ‘রোজিনা ইসলামের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকিস্বরুপ। তবুও তিনি ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করি।’

    সাধারণ সম্পাদক অহিদুজ্জামান ওরফে ডিউক বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ও ছবিতে স্পষ্ট দেখা গেছে রোজিনা ইসলামকে মন্ত্রণালয়ে আটকে রেখে নানাভাবে নির্যাতন করা হয়েছে।যা সারা পৃথিবী দেখেছে। এটা খুবই ন্যক্কারজনক, দায়ীদের বিচার চাই।’ বৃহস্পতিবার জামিনে মুক্তি না দিলে কঠোর কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

    এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অতুল চন্দ্র পাল, হারুন আর রশিদ, সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি মঞ্জুর মোর্শেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জলিলুর রহমান এবং সদস্য আসাদুজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।

    রোজিনা ইসলামকে গত মঙ্গলবার শাহবাগ থানা থেকে বেলা ১১টার পর পর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে নেওয়া হয়। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আগামী বৃহস্পতিবার (২০ মে) তাঁর জামিনের শুনানি হবে।

    পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে গেলে রোজিনা ইসলামকে সেখানে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় আটকে রেখে হেনস্তা করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁকে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। রাত পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ জানায়, রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা হয়েছে। তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।’

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Jokabet Progressive Jackpot Payout Schedule

    ContentsStep-by-Step: The Jackpot Claim and Verification ProcessKYC Verification and Required DocumentsPayout Timelines and Available MethodsTax Implications and Financial PlanningMaximizing...