More

    হতাশার কথা জানিয়েছে তালেবানরা

    অবশ্যই পরুন

    আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে এখনো কোনো দেশ স্বীকৃতি দেয়নি। এ নিয়ে হতাশার কথা জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।যুক্তরাষ্ট্রের সব সেনা ও নাগরিককে নিরাপদে যেতে দেওয়া হলেও তারা এখন স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি।

    দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রসহ সব দেশকে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান জানান তালেবান নেতারা। তবে দেশব্যাপী এখনো তালেবানবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

    দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় কান্দাহার শহরেও হাজারো আফগান নাগরিক বিক্ষোভ করেছেন। তালেবান সদস্যরা মঙ্গলবার একটি আবাসিক সেনা কলোনি খালি করার নির্দেশ দেওয়ার পর বিক্ষোভ করেন সেখানকার বাসিন্দারা। নারীরাই এর অগ্রভাগে রয়েছেন।

    দেশব্যাপী ছোট বড় বিক্ষোভের মধ্যেই আফগান সরকার বলছে, তারা বিদেশি সহযোগিতা ও স্বীকৃতি চায়। যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আচরণ মেনে নেওয়ার মতো নয় বলেও উল্লেখ করেন তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মার্কিন সেনা ও নাগরিকদের নিরাপদে চলে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার পরও ওয়াশিংটন কাবুলের অর্থ আটকে রেখে শত্রুর মতো আচরণ করছে।

    আফগানিস্তান ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ। এখানে প্রতিনিয়তই বোমা পড়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেক কিছু ধ্বংস হয়েছে। আমাদের উন্নয়ন দরকার। এ জন্য বিদেশি সহযোহিতা প্রয়োজন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ খুব জরুরি।

    এরই মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও নতুন সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা বারাদার মারা গেছেন কি না তা নিয়ে। তবে তার মৃত্যুর বিষয়টি অস্বীকার করেছে তালেবান।
    আর কাবুল বিমানবন্দর পরিচলানায় তালেবানসহ আফগানিস্তানের সব পক্ষের স্পষ্ট সমঝোতা ছাড়া দায়িত্ব নেবে না কাতার এমনটাই জানিয়েছে তারা।

    মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানি এ কথা বলেছেন।

    এদিকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে আবারও উত্তপ্ত শুনানি হয়েছে। এ সময় নিজের কার্যক্রমের পক্ষে সাফাই তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন।

    গত ১৫ আগস্ট আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির পতনের পর দেশ দখল করে নেয় তালেবানরা। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সেনা সদস্যদের পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেয়। এর মধ্যে দিয়ে আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের আধিপত্য শেষ করেছে।

    যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতিতে বিপাকে পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবসায়ীরা, দিন দিন প্রকট হচ্ছে বেকার সমস্যা। এ ছাড়াও বিকল্প ব্যবস্থা না করে এ সিদ্ধান্ত নিলে পরিস্থিতি আরও বেগতিক হতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।

    গত ৬ সেপ্টেম্বর পুরো আফগানিস্তান দখলে নেওয়ার কথা জানায় তালেবান। আর ৭ সেপ্টেম্বর নিজ সদস্যদের নিয়ে অস্থায়ী সরকার গঠন করে গোষ্ঠীটি।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Vom Zentralbahnhof Bayerische landeshauptstadt aufgebraucht seien pro tag sogar kostengunstige Coach bus-Busse zur Spielsaal Garmisch Partenkirchen serviceleistungen

    Ebendiese Spielcasino Badeort Reichenhall war in dem modernen Bauwerk im vorfeld atemberaubender Theaterkulisse untergebracht weiters bietet den Munchnern, unser...