More

    কলাপাড়ায় ১০ বছর পর যুবলীগের সম্মেলন

    অবশ্যই পরুন

    কলাপাড়ায় ১০ বছর পর যুবলীগের সম্মেলন, সভাপতি পদে হুমায়ুন কবিরকে চান তৃনমূল নেতা—কর্মীরা কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি, ৯ সেপ্টেম্বর।। দীর্ঘ ১০ বছর পর অবশেষে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের ত্রি—বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গঠনতন্ত্রেও ১৬ ও ২১ ধারা মোতাবেক আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ যুবলীগের উপজেলা সম্মেলনের তারিখ নির্ধারন করা হয়েছে। যুবলীগ জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: শহিদুল ইসলাম ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মো: সোহেল স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি, সম্পাদক পদে জীবন বৃত্তান্ত আহবান করে জেলা যুবলীগ। চলতি  বছরের ২৮ জুলাই উপজেলা যুবলীগের সম্মেলনের তারিখও নির্ধারন করে জেলা যুবলীগ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়ে যায়। সূত্র জানায়, কলাপাড়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি—সম্পাদক উপজেলা আাওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পাওয়ায় পর থেকে অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে যুবলীগ। এরপর গত ১০ বছরেও তৃনমূলের কমিটি না হওয়ায় তৃনমূল নেতা কর্মীদের সাথে যুবলীগ নেতৃবৃন্দের যোগাযোগ হ্রাস পায়। এতে তৃনমূল থেকে উপজেলা পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে সংগঠনটি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টিতে কেন্দে্রর নির্দেশনায় সম্মেলনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এতে চাঙ্গা হয়ে উঠতে শুরু করেছে যুবলীগ। সভাপতি, সম্পাদক পদ বাগিয়ে নিতে পেশী শক্তি নিয়ে মাঠে নামতে শুরু করেছে সিরিজ মালার আসামীরাও।

    যাদের হাতে দলের অসংখ্য নেতা—কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরন করেছে। এরা পদ পেতে জেলা ও কেন্দ্রের লবিং তদ্বির শুরু করেছে জোরে শোরে। তবে তৃনমূলের নেতা—কর্মীদের দাবী দক্ষ, পরিশ্রমী, ত্যাগী  নেতা—কর্মীকে পদ দেয়া হোক। যাদের নেতৃত্বে ১০ বছরের নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া যুবলীগ আগামী দিনে স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজপথে মোকাবেলা করতে পারে। সূত্রটি আরও জানায়, যুবলীগের সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন মো: হুমায়ুন কবির, সৈয়দ জাকির হোসেন, মো: শহিদুল ইসলাম, মো: জিয়াউর রহমান, সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু, জাকি হোসেন জুকু প্রমূখ। এদের মধ্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র মো: হুমায়ুন কবিরকে সভাপতি হিসেবে চায় তৃনমূলের নেতা কর্মীরা।

    তৃনমূল কাউন্সিলে নেতৃত্ব নির্বাচন হলে হুমায়ুন কবিরের বিকল্প নেই বলছে দলীয় সূত্র। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো: শফিকুল আলম বাবুল বলেন,  উপজেলা যুবলীগ নিষিক্রিয় বলে যারা মন্তব্য করেছে তারা সংগঠনের কেউ না, ওরা হাইব্রীড। জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা উপজেলা সম্মেলনের পর কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তরে পদ প্রত্যাশীদের বায়োডাটা জমা দেবো। যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সম্পাদক মহোদয়ের সমন্বয়ে যাচাই বাছাই শেষে উপজেলা কমিটি অনুমোদন দেয়া হবে। অবশ্যই ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতা নির্বাচিত হবেন। অ্যাডভোকেট শহিদুল আরও বলেন, দীর্ঘদিন জেলা সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলাম। স্বচ্ছতার সাথে যুবলীগের দায়িত্ব পালন করছি। কমিটি নিয়ে কোন রিউমার যুবলীগের নেই। আমরা সচ্ছ যুবলীগ করি।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Wildies Support Bot contre Agent Humain

    Sommaire1. Premiers Pas : Comment Accéder au Support Wildies2. Le Bot de Support : Avantages et Limites3. L'Agent Humain...