More

    কালকিনিতে হাত বোমা তৈরি করার সময় বিস্ফোরণে নিহত-১ আহত-২

    অবশ্যই পরুন

    মাদারীপুরের কালকিনিতে হাত বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুজন।

    বুধবার দুপুর বেলা ১:৩০ মিনিটের দিকে উপজেলার চরদৌলতখান ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ডিমচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ বলছে, আগুনে পুড়ে যাওয়া দগ্ধ একজন ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে, তবে সে কিভাবে আগুনে দগ্ধ হলো তা জানে না। নিহত ওই ব্যক্তির নাম মোদাচ্ছের শিকদার (৫৫) তিনি বরিশালের মুলাদী উপজেলার বাটামারা এলাকার মৃত মোসলেম শিকদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক।

    এ ঘটনায় আহত দুজন হলেন চরদৌলতখান ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ডিমচর এলাকার হারুণ ঢালী (৪০) ও দাদন ঢালী (৩৮)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরদৌলতখান ইউনিয়নের ডিমচর এলাকার একটি খালি বাড়িতে বসে হাত বোমা তৈরির কাজ করছিল মোদাচ্ছের শিকদারসহ তার সহযোগীরা। এ সময় মোদাচ্ছেরের হাতে হঠাৎ একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। বিকট শব্দ হলে ওই বাড়িতে জড়ো হয় স্থানীয় লোকজন। পরে মোদাচ্ছেরসহ তিনজনকে আগুনে দগ্ধ অবস্থা পড়ে থাকতে দেখে তারা।

    পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাদের পার্শ্ববর্তী মুলাদী হাসপাতালে নেওয়া পথে মারা যায় মোদাচ্ছের। পরে চৌরদৌলতখান এলাকার আড়িয়াল খাঁ নদের পাশে একটি জমিতে মোদাচ্ছেরের লাশ ফেলে পালিয়ে যায় তারা। খবর পেয়ে ওই জমি থেকে মোদাচ্ছেরের লাশ দুপুর ২টার দিকে উদ্ধার করে কালকিনি থানা পুলিশ। পরে নিহত মোদাচ্ছেরের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। চরদৌলতখান এলাকার বাসিন্দা আব্দুল রশীদ বলেন, আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর জন্য এই হাত বোমাগুলো তৈরি করা হচ্ছিল।

    এই এলাকার অনেক বাড়িতেই এ বোমা তৈরি করা হয়। বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে এর আগেও কয়েকজন মারা গেছে। নিহতের জামাতা সোহাগ ব্যাপারী জানান, কি ভাবে কি ঘটেছে তা বলতে পারবো না। সে পেশায় কৃষি কাজ করতো। মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর ও কালকিনি সার্কেল) মো. আলাউল হাসান বলেন, নিহত মোদাচ্ছের শিকদারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুড়ে যাওয়ার ক্ষত চিহ্ন রয়েছে।

    লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার সাথে জড়িত সবাইকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,

    এটি বোমা বিস্ফোরণ কিনা আমরা এখনো নিশ্চিত নই। মানুষ আগুনে পুড়ে মারা গেলে যেমন হয়, নিহতের শরীরেও তেমনি দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি। লাশটির ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বোঝা যাবে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর আসল কারণ।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Online ports are perfect fun playing, and some users delight in all of them simply for entertainment

    For folks who see our needed casinos on the internet right now, you might be to play free harbors...