More

    বাউফলে ১শ মিটার বেহাল সড়কে ৩০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

    অবশ্যই পরুন

    মাত্র একশ মিটার সড়ক পথ দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময়ে সংস্কার হয়নি। সংস্কার না হওয়ায় পুরো সড়কজুড়ে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক সহ প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। এমন অবস্থা পটুয়াখালীর বাউফলের কালাইয়া বন্ধরে অবস্থিত কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কের।

    দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর কালাইয়া হাটে অন্যতমও প্রবেশ পথও এটি। কালাইয়া-বগি সড়কের কালাইয়া মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালের প্রধান ফটক পর্যন্ত এ সড়কের দৈর্ঘ্য মাত্র ১০০ মিটার। ২০১৮ সালে শেষবার সড়কটি সংস্কার করা হয়। তবে ঠিকাদার নিম্ন মানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও শিডিউল অনুযায়ী কাজ না করায় কিছু দিনের মধ্যেই সড়কের আরসিসি ঢালাই উঠে যায়।

    সৃষ্টি হয় অসংখ্য ছোট বড় গর্ত। দীর্ঘ চার বছরেও সংস্কার না করায় পুরো সড়কজুড়ে বড় বড় গর্তে ভরে গেছে। স্থানীয়রা জানান, কালাইয়া বন্দর সংলগ্ন কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কালাইয়া রাব্বানিয়ক কামিল মাদ্রাসা, কালাইয়া হায়াতুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলী আকবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালাইয়া ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এই সড়ক হয়ে যাতায়াত করেন। একই সাথে কালাইয়া বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর হওয়ার প্রতি সোমবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার মানুষ বেচা কেনা করতে আসেন।

    সড়কটির অবস্থা বেহলায় পথচারী সহ যানবাহন চালকেরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী মুনতাহা নুসরাত বলেন, বর্ষা হলেই রাস্তায় পানি জমে যায়। হেটে আসা যায় না, রিকশায় আসলে অনেক সময় রিকশাও উল্টে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। অনেকেই আহত হয়েছে। প্রতিনিয়তই পোশাক নষ্ট হয়ে যায়। কালাইয়া রাব্বানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র হুজাইয়া রাব্বি বলেন, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। হেটে আসার পরিস্থিতি নেই। দ্রæত রাস্তাটি সংস্কার দরকার।

    কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মো. মেহেদী হাসান রাসেল বলেন, বিদ্যালয়ের সামনের ১০০ মিটার রাস্তার পুরোটা খানাখন্দে ভরা। বর্ষায় পানি জমে থাকা পানি আর শুষ্ক মৌসুমি ধুলাবালির কারণে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

    শিক্ষার্থীদের পোশাক নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যেকারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দ্রæত মেরামত করা প্রয়োজন। কালাইয়া বন্দরের ব্যবসায়ী নেতা নুরুল ইসলাম সিদ্দিকি মাসুম বলেন, কালাইয়া বন্দর দেশের অন্যতম বৃহৎ বানিজ্যিক বন্দর। এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ী গরু মহিষ ও ধান কিনতে আসেন। বন্দরের অন্যতম প্রবেশদ্বার ওই রাস্তাটি।

    সেটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় বন্দরে আসা ক্রেতা বিক্রেতারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। এতে কালাইয়া বন্দরের ঐহিত্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সড়কটির বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে উপজেলা এইজিইডির উপ সহকারি প্রকৌশলী আলী ইবনে আব্বাস বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠিয়েছি।

    বিষয়টি পটুয়াখালী জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হোসেন আলী মীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে দ্রæত সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগে নেওয়া হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Sopra rso trasferimenti istantanei di PayPal non ci sono operazioni sopra appeso verso giorni

    Uno dei migliori motivi per preferire PayPal ad esempio maniera di rimessa nei casa da gioco online e quale...