শীত মৌসুম শুরু হলেই সারাদেশের ন্যায় বাকেরগঞ্জ পৌর এলাকা সহ আশপাশের বাজার, বন্দর সহ জনবহুল গুরুত্বপূর্ণ স্হানে পিঠা বিক্রির পসরা সাজিয়ে বসে পিঠা বিক্রেতারা।
শীত নির্ভর মৌসুমী এ ব্যাবসার সাথে বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন স্হানের প্রায় ৩০ টি পরিবার জড়িত। পৌরসভা সহ উপজেলার বিভিন্ন হাট – বাজার, বাসস্ট্যান্ডে এখন শীতের পিঠা তৈরি ও বিক্রির দোকান চোখে পড়ার মত।
এসব দোকানে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, চডা পিঠা,বড়া পিঠা, কুলি পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, দুধ চিতই,ডিম চিতই, সহ খেজুরের রসে ভিজানো মুখরোচক পিঠা বিক্রি করা হয়। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পিঠার দোকান গুলো পিঠা প্রেমীদের ভীড়ে বেশ জমজমাট থাকে।
বিকেল হলেই পিঠা বিক্রেতারা তাদের পসরা সাজিয়ে বসে, চলে পিঠা,ভাজা ও বিক্রি। চিতই পিঠার সাথে স্বাধ বাড়ানোর জন্য শুটকি, কাঁচামরিচ, ধনিয়াপাতা সহ বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক ভর্তা দেওয়া হয়। পিঠা বিক্রেতারা জানান, অন্যান্যা পিঠার চেয়ে শীতের সময় সবচেয়ে চিতই ও ভাপা পিঠার কদরই বেশী,এ পিঠার প্রতিই অনেকের আকর্ষণ। মুল্য ভেদে প্রতিটি ভাপা পিঠা ১০ টাকা, বড় চিতই ১০ টাকা ও ছোট চিতই ৫ টাকা করে বিক্রি করা হয়।
কর্মময় জীবনে বাসা বাড়িতে পিঠা তৈরি করতে অনেক পরিবার সময় সুযোগ না পাওয়ায় তারা এসব দোকান থেকে অর্ডার দিয়ে তৈরিকৃত পিঠা কিনে নিয়ে যায়
পিঠা বিক্রেতারা জানান, প্রতিদিন বিক্রি শেষে খরচ বাদে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা থাকে, শীতের সময় মৌসুম ভিত্তিক এই ব্যবসা করে তাদের মোটা মুটি ভালোই চলছে।
