More

    বিএনপিতে প্রস্তুতি নেই, শুধু আলোচনা

    অবশ্যই পরুন

    কামরুল হাসান: জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল বিজয়ের পর ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে বিএনপি। সরকার ও রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও আছেন উৎসবের আমেজে। তবে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। কিন্তু এ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো উত্তাপ তৈরি হয়নি ক্ষমতাসীন দলে। এমনকি নেই কোনো প্রস্তুতিও।

    গুরুত্বপূর্ণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নিজেদের অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করলেও বিএনপি এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এলাকাভিত্তিক কাউন্সিলর প্রার্থীরাও আছেন দলের নির্দেশনার অপেক্ষায়। পৌরসভার মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা আগেভাগেই তদবিরের মাধ্যমে অবস্থান পাকাপোক্ত করার চেষ্টা করছেন।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো ঈদের পর শুরু করে তা ধারাবাহিকভাবে সম্পন্ন করতে চায় নির্বাচন কমিশন। মেয়াদোত্তীর্ণ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে সেই কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে কমিশনের। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠিও পাঠিয়েছে। এই তিন সিটি নির্বাচন শেষে পর্যায়ক্রমে বাকি ৯ সিটি করপোরেশন এবং পাশাপাশি জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

    এবার দলীয় প্রতীকের পরিবর্তে নির্দলীয় পদ্ধতিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আওয়ামী লীগ সরকার আমলে সিটি ও পৌরসভার মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দল মনোনীত প্রার্থীর বিধান করেছিল আইনে। বিএনপি এর বিরোধী ছিল। ঐকমত্য কমিশনের সংলাপেও বিএনপিসহ সব দলের অবস্থান ছিল– নির্দলীয় পদ্ধতিতে হতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বিগত অন্তর্বর্তী সরকার স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত আইনগুলো সংশোধন করে অধ্যাদেশের মাধ্যমে। আগামী ১২ মার্চ সংসদ অধিবেশনে এ সংক্রান্ত বিল পাসের মধ্য দিয়ে এই নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন। স্থানীয় নির্বাচন নির্দলীয় পদ্ধতিতে হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর সুযোগ থাকবে দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে ভোটে নামার।

    নেই প্রস্তুতি, আছে আলোচনা

    বিএনপির প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামী দেড় বছর ধরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিপরীতে বিএনপিতে শুধু আলোচনা চলছে বলে নেতারা জানিয়েছেন। দলটির বেশ কয়েকজন নেতা আক্ষেপ করে বলেন, সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিও বিএনপি অনেক পরে নিয়েছিল। যার ফলে অনেক আসন ঝুঁকিতে পড়েছিল। এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও তেমন গুরুত্ব কিংবা প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করছে না। এর মাশুলও দিতে হতে পারে তাদের। বিশেষ করে মহিলা দলকে পুরোপুরি সক্রিয় করতে না পারলে এই নির্বাচনেও ঝুঁকিতে পড়বেন তারা।

    বিএনপি নেতারা বলছেন, শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে না। নতুন সংসদের অধিবেশনে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার পর রোজার ঈদ, বর্ষাকাল ও কোরবানির ঈদ চলে আসবে। আর ওই সময়ে নির্বাচনের কোনো অবস্থা সাধারণত থাকে না।

    যদিও নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দ্রুতই স্থানীয় নির্বাচনের আয়োজন করা হবে।

    বিএনপির কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন এবং এর কার্যক্রম নিয়েই বেশি ব্যস্ততা চলছে। সেখানে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে আপাতত কোনো পারিকল্পনা, প্রস্তুতি নেই বললেই চলে। তবে বিএনপির মতো বড় দলে ভালো ও যোগ্য প্রার্থীর অভাব কখনও হয়নি, হবেও না।

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান  বলেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী বড় দল। তারা সব সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকে। নির্বাচনী তপশিল ঘোষণার সঙ্গে তাদের প্রস্তুতিও সম্পন্ন হবে।

    ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ১২টি সিটি করপোরেশন, ৩৩০ পৌরসভা, ৪৯৭ উপজেলা পরিষদ এবং ৬৪টি জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া এসব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রশাসকের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

    ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ গতকাল জানান, তাদের মূল দায়িত্বই হচ্ছে নির্বাচন আয়োজন। সবসময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় তাদের। সরকারের নির্দেশনা পাওয়া মাত্রই সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো আয়োজনের পথে এগোবেন তারা।

    নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করা হবে।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে তাবিথকে নিয়ে আলোচনা

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা হয়েছিল ২০২০ সালের ৩ জুন। এই সিটির পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ২ জুন। বিএনপি সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালের মনোনয়ন অনেকটাই নিশ্চিত। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুইবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আওয়ামী লীগ আমলে অনুষ্ঠিত দুই নির্বাচনেই তিনি পরাজিত হন। আগামী নির্বাচনেও তিনি শক্ত প্রার্থী হিসেবে মাঠে থাকবেন বলে তাঁর অনুসারীরা জানান।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২০ সালের ২ জুন। সেই হিসাবে গত বছরের ১ জুন এই সিটির পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এর আগে বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যান। ৫ আগস্ট-পরবর্তী ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ ঢাকার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল ২০২০ সালের নির্বাচনের ভিত্তিতে তাঁকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে। তবে তিনি তাঁর ওই দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেননি। এ নিয়ে লাগাতার আন্দোলন করলেও কোনো ফল আসেনি।

    সংসদ নির্বাচনে ইশরাক ঢাকা-৬ আসনে এমপি নির্বাচিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। এ কারণে আগামী ডিএনসিসি নির্বাচনে তাঁর অংশগ্রহণ অনেকটাই অনিশ্চিত। তাঁর পরিবর্তে এখানে নতুন মুখ হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভির আহমেদ রবিনের নাম বলছেন কেউ কেউ। রবিন ঢাকা-৪ আসনে নির্বাচন করে পরাজিত হন।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতা হাবিবুল ইসলাম সৈকত বলেন, তানভির আহমেদ রবিনের মতো পরিচ্ছন্ন, উচ্চশিক্ষিত আর মার্জিত নেতাকে দল মনোনয়ন দেবে। বর্তমানে জেন-জির যুগে এ রকম নেতাকেই দল বেছে নেবে বলে আমরা আশা করছি।

    চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন

    ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী জয়লাভ করেন। ওই নির্বাচনের পর কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শাহাদাত হোসেন। এরপর ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর তাঁকে মেয়র ঘোষণা করেন আদালত। আদালতের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করলে তিনি ওই বছরের ৩ নভেম্বর শপথ নেন এবং দায়িত্ব নেন ৫ নভেম্বর।

    মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। আইন অনুযায়ী, এই সিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গতকাল রোববার। এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আগামীতে বিএনপির মেয়র প্রার্থী হিসেবে শাহাদাত হোসেনকে দেখা যাবে বলে নেতাকর্মীরা অনেকটা নিশ্চিত।

    খুলনা সিটি করপোরেশন 

    বিএনপি অধ্যুষিত এই সিটিতে ২০১৩ সালে বিএনপির মেয়র মনিরুজ্জামান বিজয়ী হলেও ২০১৮ সালে বিতর্কিত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পরাজিত হন। ২০২৩ সালের নির্বাচন বিএনপি বয়কট করলে আওয়ামী লীগের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক নির্বাচিত হন। ৫ আগস্ট-পরবর্তী আবদুল খালেক পলাতক ও বরখাস্ত হওয়ার পর এখানে এখন প্রশাসকের অধীনে কার্যক্রম চলছে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সদর আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু জামায়াতের কাছে হেরে গেলেও আগামী সিটি নির্বাচনে তাঁকেই মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে বলে দলের সূত্র জানিয়েছে।

    রাজশাহী সিটি করপোরেশন

    বিএনপি অধ্যুষিত রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২০১৩ সালে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল জয়লাভ করেন। ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন। ২০২৩ সালের নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি। আগামী নির্বাচনেও মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল দলের প্রার্থী হবেন বলে জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

    সিলেট সিটি করপোরেশনে নতুন মুখ

    বিএনপি অধ্যুষিত সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বরাবরই বিএনপি জয়লাভ করেছে। তবে ২০২৩ সালের নির্বাচনে বিএনপি এ নির্বাচন বয়কট করে। শেষবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী জয়লাভ করেন। তবে ৫ আগস্টের পর তিনি দেশছাড়া এবং তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সিলেট সিটি করপোরেশনের জনপ্রিয় মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৪ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিয়েছেন। আগামী সিটি নির্বাচনে এখানে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে।

    অন্য সিটি করপোরেশন

    দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বেশ কয়েকটি নতুন মুখ দেখা যাবে, আবার অনেকটিতে পুরোনো মুখই থাকবে। এর মধ্যে যেসব মেয়র প্রার্থী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি হয়েছেন তাদের পরিবর্তে অন্যদের সুযোগ দেওয়া হবে। নতুন নেতৃত্ব তৈরিতে এমন সিদ্ধান্ত রয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

    এর বাইরে বরিশাল সিটি করপোরেশনে নতুন মুখ বিলকিস আকতার জাহান শিরিন এবং কুমিল্লায় মনিরুল হক সাক্কুকে দেখা যেতে পারে। রংপুর সিটি করপোরেশনে বিএনপি বরাবরই দুর্বল। সেখানে এবার হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলকে দেখা যেতে পারে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে এবার বিএনপির নতুন মুখ দেখা যেতে পারে।

    উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন

    ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনের শুরুর দিকে বিএনপির ব্যাপক সাফল্য থাকলেও ভোট জালিয়াতি, কেন্দ্র দখল ও সহিংসতার অভিযোগের মধ্যে শেষ দিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বেশি জয়লাভ করেন। এর পরও সেবার ১৩৯টি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয় বিএনপির সমর্থনে। ২০১৯ সালের পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বিএনপি এবং তার সমমনা দলগুলো বর্জন করে। তবে সেবার প্রথম ধাপের ৯৬টি উপজেলার মধ্যে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ৪৩টিতে জয়লাভ করে। এরপর ভোটকেন্দ্র দখল, কারচুপির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তেমন ভালো ফল করতে ব্যর্থ হন। ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ক্ষমতাসীন দলের চাপের মধ্যেও দেশের ২৩৪ পৌরসভার মধ্যে ২৪টিতে জয়লাভ করে বিএনপি।

    সূত্র : সমকাল

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    পটুয়াখালীতে চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে পেটানোর অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সুজন সিকদার ও...