More

    কুয়াকাটায় লাল কাঁকড়ার লুকোচুরি:পর্যটকদের বাড়তি আকর্ষণ

    অবশ্যই পরুন

    পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সাগরকন্যা কুয়াকাটায় এখন পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। আর এই উৎসবের আবহে পর্যটকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে ধরা দিয়েছে সৈকতের লাল কাঁকড়া। বালুচরে গর্ত থেকে ক্ষণে ক্ষণে উঁকি দেওয়া এই লাল কাঁকড়াদের বিচরণ যেন ঈদের আনন্দকে আরও রঙিন করে তুলেছে। তবে পর্যটন বাড়ার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    amaerdesh 520 (3)

    সরেজমিনে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা গেছে, হাজার হাজার লাল কাঁকড়া বালুর ওপর আলপনা এঁকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বিশেষ করে গঙ্গামতি, কাউয়ার চর, মিনি সুইজারল্যান্ড ও লেম্বুর বন এলাকায় বর্তমানে লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    এসব কাঁকড়া ভাটার সময় সমুদ্রের পানি নেমে গিয়ে সৈকতের বিস্তৃতি বেড়ে গেলে দলে দলে বেরিয়ে আসে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন সৈকতের বুকে লাল গালিচা বিছানো হয়েছে। এরা পর্যটকদের উপস্থিতি টের পেলেই নিমিষে গর্তে লুকিয়ে পড়ে, আবার নির্জনতা পেলে বেরিয়ে আসে–এই ‘লুকোচুরি’ খেলা মুগ্ধ করছে আগত দর্শনার্থীদের।

    ঢাকা থেকে আসা পর্যটক তাহসিন আহমেদ বলেন, ‘কাছে গেলেই কাঁকড়াগুলো যেভাবে গর্তে লুকিয়ে পড়ে, এই দৃশ্যটি দারুণ। আমি এর আগে কখনো এত কাছ থেকে এমন দৃশ্য দেখিনি।’

    রাজশাহী থেকে আসা রিফাত-মারিয়া দম্পতি বলেন, ‘শিশুদের জন্য এটি একটি চমৎকার প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা। অনেকেই এই দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।’

    ইজিবাইক চালক নূর হোসেন বলেন, ‘পর্যটকদের মধ্যে এখন বিশেষভাবে লাল কাঁকড়া দেখার আগ্রহ বাড়ছে, যা স্থানীয় চালকদের আয় বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখছে।’

    স্থানীয় ট্যুর গাইড আবু সালেহ বলেন, ‘ঈদের সময় পর্যটক বেশি থাকে, তখন কাঁকড়াগুলোও বেশি চোখে পড়ে। এগুলো এখন কুয়াকাটার অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত হয়েছে।’

    উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (উপরা)-এর আহ্বায়ক কে.এম বাচ্চু বলেন, ‘লাল কাঁকড়া উপকূলীয় জীববৈচিত্র্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পর্যটকদের উচিত হবে এই প্রাণীগুলোকে বিরক্ত না করা এবং তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল নষ্ট না করা।’

    ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘লাল কাঁকড়া কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সম্পদ। পর্যটনের প্রসারের পাশাপাশি এই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমরা সচেতনামূলক কাজ করে যাচ্ছি।’

    প্রকৃতির এই ক্ষুদ্র প্রাণীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি আর সাগরের গর্জন—সব মিলিয়ে এবারের ঈদে কুয়াকাটা ভ্রমণ পর্যটকদের কাছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Very easy to browse and graphically pleasant website

    This site off an internet https://punt-casinos.com/bonus/ gambling establishment provides that well-known very first effectation of one's gambling enterprise, but...