More

    কলাপাড়ায় লামিয়া হত্যা, ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে আসামীদের নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ নিহতের মায়ের

    অবশ্যই পরুন

    কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:  পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ছোট বালিয়াতলী গ্রামে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী কিশোরী লামিয়াকে ধর্ষণের পর গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্তদের মামলার চার্জশিট থেকে বাদ দেয়ার প্রতিবাদে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুস গ্রহণের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে কিশোরীর মা হালিমা বেগম। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কলাপাড়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট ফোরাম কার্যালয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

    লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ৩০ জুন সন্ধ্যা সাতটার দিকে তিনি রোগী দেখতে ঘরের বাইরে বের হন। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে বাসায় ফেরার পথে তার বাড়ির সড়ক থেকে তাইফুর ইসলাম সোহেল, সুজন ও হাসান কে দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখতে পান। দ্রুত তিনি বাড়ি ফিরে তার মেয়ে লামিয়া লামিয়াকে গাছের সাথে গলার ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

    খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। মামলার সুরতহাল রিপোর্টে তার বুকসহ বিভিন্ন স্থানে কামড়, গলাসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ও গোপন স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো। এ ঘটনায় গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তাকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তাঁর অভিযোগ, তার অভিযোগ, এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৩ আগষ্ট পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে জয়নাল মৃধা কে প্রধান আসামী করে মামলা দায়ের করলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তিন আসামীকে বাদ দেন। তিনি অভিযোগ, ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিন আসামীকে বাদ দেয়া হয়েছে।

    এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। তবে টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Lolajack Oczekujące Wpłaty: Jak Długo To Normalne

    Spis treściCo oznacza status "Oczekująca" dla wpłaty?Typowe czasy przetwarzania według metody płatnościKrok po kroku: Ścieżka wpłaty i weryfikacjaNajczęstsze problemy...