More

    কলাপাড়ায় সড়ক আটকে বসতঘর নির্মাণ, ১৮ বছর ধরে দুই পরিবারের ভোগান্তি

    অবশ্যই পরুন

    পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে চলাচলের রাস্তা দখল করে প্রভাবশালী প্রতিবেশীর বসতঘর নির্মাণের ফলে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে দুটি পরিবার। ১ ফুটেরও কম সংকীর্ণ জায়গা দিয়ে কর্দমাক্ত অবস্থায় চলাচলের এই চিত্রকে স্থানীয়রা ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’ যুগের বর্বরতার সঙ্গে তুলনা করছেন।

    পৌরসভার নির্ধারিত জায়গায় ঘর সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ থাকলেও রহস্যজনক কারণে তা উপেক্ষা করে উল্টো মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালী ওই চক্রের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে দেখা যায়, কলাপাড়া পৌর শহরের চিংগড়িয়া এলাকায় প্রতিবেশী পরিতোষ শীল ও হরিদাস শীল প্রভাব খাটিয়ে পৌরসভার আওতাভুক্ত ০.৭২ শতাংশ জমি দখল করে ঘর নির্মাণ করেছেন।

    এর ফলে শৈলেন চন্দ্র শীল ও অনিল চন্দ্র শীলের পরিবারের চলাচলের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় ওই ১ ফুটেরও কম জায়গায় কাদা জমে একাকার হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এই পথে যেন কেউ চলাচল করতে না পারে সে জন্য সেখানে ব্লেড কিংবা কাঁচের ভাঙা টুকরোও ফেলে রাখা হয়। ভুক্তভোগী অনিল শীল জানান, রাস্তা দখল করে ঘর নির্মাণের প্রতিবাদ করায় তাদের নামে একের পর এক চারটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মামলাতেই তারা জয়ী হলেও রাস্তা উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

    সর্বশেষ গত ২২ এপ্রিল পৌর প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর তদন্ত শেষে সড়কের জায়গা নির্ধারণ করে খুঁটি বসানো হয় এবং অভিযুক্ত পরিতোষকে ঘর অপসারণের সময় দেওয়া হয়। কিন্তু ঘর না সরিয়ে উল্টো পৌরসভার সচিবসহ অন্যদের নামে নতুন করে দেওয়ানি মামলা ঠুকে দিয়েছেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পরিতোষ শীল বলেন, তার ক্রয়কৃত জমিতে ঘাটতি রয়েছে এবং দলিলের চৌহদ্দিতে কোনো রাস্তা নেই।

    তাই তিনি আইনিভাবে লড়াই করছেন। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাউছার হামিদ বলেন, সড়ক দখলের বিষয়টি সমাধানে আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    পটুয়াখালীতে আরও দুই কৃষকদল নেতা বহিষ্কার

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল। মঙ্গলবার...