More

    চীন থেকে গৌরনদীর বাড়িতে ফেরা ছাত্রকে নিয়ে করোনা ভাইরাসের গুজব

    অবশ্যই পরুন

    চীনের সাংহাই শহর থেকে হেলাল সিকদার নামের এক মেডিকেল ছাত্র জেলার গৌরনদী পৌরসভার উত্তর পালরদী মহল্লার নিজ বাড়িতে ফেরার পর এলাকাবাসীর মধ্যে করোনাভাইরাসের গুজব ছড়িয়ে পরেছে। সোমবার সকালে একটি মেডিকেল টিম ওই শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন।
    গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সায়িৎদ মুহাম্মদ আমরুল্লাহ বলছেন, আতঙ্কের কোন কারণ নেই। চিন ফেরত ওই শিক্ষার্থীকে মেডিকেল চেক আপ করা হয়েছে। তারমধ্যে কোন করোনাভাইরাসের লক্ষন পাওয়া যায়নি। সূত্রমতে, গৌরনদী পৌরসভার উত্তর পালরদী মহল্লায় সৌদী প্রবাসী জালাল সিকদারের পুত্র হেলাল সিকদার চীনের থংচি ইউনিভার্সিটির এমবিবিএস পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী। চীনে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক দেখা দেয়ার পর গত ৩১ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কা এয়ারলাইন্স এর একটি বিমানে শ্রীলঙ্কা হয়ে হেলাল বাংলাদেশে আসেন। শ্রীলঙ্কার এয়ারপোর্টে তার যাবতীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারী হেলাল বাড়িতে ফিরে তার পরিবারের লোকজনদের অন্যত্র পাঠিয়ে দেন। রবিবার রাতে বিষয়টি জানাজানির পর গ্রামবাসীর মধ্যে হেলাল করোনাভাইরাসে আক্রান্তর গুজব ছড়িয়ে পরে।
    স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১ ফেব্রুয়ারী হেলাল সিকদার চীন থেকে নিজ বাড়িতে আসেন। পরবর্তীতে তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে পরিবারের সকল সদস্যদের থেকে ১৪দিন আলাদা থাকার ব্যবস্থা করেন। একপর্যায়ে তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়ি থেকে অন্যত্র চলে যায়। বিষয়টি রোববার সন্ধ্যার পরে এলাকায় জানাজানি হলে করোনাভাইরাসের গুজব ছড়িয়ে পরে। একপর্যায়ে হেলাল সিকদারের মা তার ছেলের ঘরে প্রবেশ করেন।
    সোমবার সকালে হেলাল সিকদার এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমার করোনাভাইরাস নেই। যেহেতু আমি চীন থেকে এসেছেন তাই চিকিৎসকদের পরামর্শে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য আমার পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র সরিয়ে দিয়েছি। তিনি আরও জানান, চীন থেকে নিজ খরচে ফেরার পথে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ বিভিন্ন পরীক্ষা নিরিক্ষা ও স্ক্যান করা হয়েছে। এতে তার শরীরে করোনাভাইরাসের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তার পরেও বিষশজ্ঞ চিকিৎসকেরা বিশ্রামের জন্য তাকে ১৪দিন পরিবারের সদস্যদের থেকে আলাদা থাকতে বলেছেন।
    এ ব্যাপারে গৌরনদী মডেল থানার ওসি গোলাম ছরোয়ার বলেন, বিষয়টি রোববার রাতে শোনার পরেই চিকিৎসকদের সাথে আলোচনা করে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যদের পাঠানো হয়েছে। তারা চীন ফেরত ওই ছাত্রের সাথে কথা বলে ও তার স্বাস্থ্য পরীক্ষার সকল কাগজপত্র এনে চিকিৎসকদের দেখিয়ে নিশ্চিত হয়েছেন হেলাল সিকদারের শরীরের করোনাভাইরাসের কোন আলামত নেই।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান জানান, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের সাথে কথা বলে সোমবার সকালে চীন ফেরত মেডিকেল ছাত্র হেলাল সিকদারের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছিলো। তারা হেলাল সিকদারের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর করোনাভাইরাসের কোন লক্ষন পায়নি। তাই হেলাল সিকদারকে নিয়ে করোনাভাইরাসের কোন আতঙ্ক নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    In verbindung stehen ein Perso, Rechnungen von Versorgungsunternehmen & Kontoauszuge

    Parece konnte beilaufig bequemer coeur, da Sie keinesfalls zusatzliche Programm downloaden mussen. Als nachstes folgt die eine gro?e Bevorzugung...