More

    শেবাচিমে শিক্ষার্থী করোনা আক্রান্তের খবর পেয়ে মেডিকেল গেট বন্ধ করলো স্থানীয়রা

    অবশ্যই পরুন

    বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবামেক) এক শিক্ষার্থী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতালের গেট বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয়রা।
    আজ শনিবার সকালে স্থানীয়রা বাঁশ বেধে পেছনের গেটটি আটকে দেয়। এতে করে বিপাকে পড়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীরা।

    বরিশাল নগরীতে বসবাসকারী ডাক্তার, ইন্টার্ন চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও হাসপাতাল কর্মচারীরা এই গেট ব্যবহার করে আসছে। পাশাপাশি রোগী প্রবেশের জন্যও এটি একটি সহজ পথ।

    গেটটি বন্ধ করে দেওয়ায় কমপক্ষে ৩ কিলোমিটার পথ অতিরিক্ত ঘুরে প্রবেশ করতে হচ্ছে হাসপাতালে। এতে যেমন নষ্ট হচ্ছে রোগী সেবার সময়, তেমনি হাসপাতালে ঢুকতে দেরি হওয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়ছেন রোগীরা।

    প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, আজ শনিবার সকালে কমপক্ষে ১০ জন নার্স, ৪ থেকে ৫ জন ডাক্তার এই গেট দিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে চাইলে তাদের ঢুকতে দেয়নি স্থানীয়রা।

    উপায় না দেখে প্রায় তিন কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে তারা সামনের গেট দিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করেন।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একজন সিনিয়র নার্স বলেন, ‘আমিসহ অনেকে ওই গেট দিয়ে নিয়মিত যাতায়াত করি। কিন্তু আজ সকালে বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্সকে ঢুকতে দেয়নি স্থানীয়রা। শেষে অনেক পথ হেঁটে সামনের গেট দিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছে আমাদের।’

    হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকজন ডাক্তার পেছনের গেটসংলগ্ন এলাকায় বাসা ভাড়া করে থাকি। কিন্তু আমাকে গেট থেকে ফিরিয়ে দিয়েছে। এতে করে আমিও যেমন হয়রানির শিকার হয়েছি, তেমনি রোগীদের সেবা দিতেও সময়ক্ষেপণ হয়েছে। লকডাউন মানে কোনো সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা নয়।’

    শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। কেন এবং কারা গেট বন্ধ করেছে তা জানার চেষ্টা হচ্ছে।’

    বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বলেন, ‘শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানিয়েছে। কেন হাসপাতালের গেট বন্ধ করা হলো তা জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

    উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে লকডাউনের নামে শহরের কয়েকটি সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে, বাঁশ বেধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলে পুলিশ গিয়ে তা অপসারণ করে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ হরবাসীকে জানায় জানায়, লকডাউনে কোনো সড়ক বন্ধ করা যাবে না। জরুরি প্রয়োজন, অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশ ও বাহির প্রভৃতি কাজের জন্য সকল সড়ক খোলা রাখতে হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Navigating New Zealand’s Best Online Casinos with Ease and Confidence

    Navigating the selection of New Zealand’s best online casinos involves understanding user-friendly features and secure payment options, setting a confident path for both newcomers and seasoned players alike.