More

    শিলাবৃষ্টিতে তছনছ কৃষকের স্বপ্ন

    অবশ্যই পরুন

    শিলাবৃষ্টির কারণে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বাগড়ি গ্রামে ধানসিঁড়ি নদীর তীরবর্তী এলাকায় বাঙ্গি ও তরমুজসহ অন্যান্য ফসল জমিতেই নষ্ট হয়েছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে কৃষকদের। শিলাবৃষ্টিতে তছনছ হয়েছে কৃষকের স্বপ্ন।

    বাগড়ি গ্রামের হালিম সিকদার, মিজান সিকদার, ফারুক সিকদার, আতিক হাওলাদার, আমিন সিকদার ও রাজ্জাক তালুকদারসহ অন্য কৃষকরা জানান, প্রায় ১০ বিঘা জমিতে বাঙ্গি, তরমুজ, মিষ্টি কুমড়া, জালি কুমড়া, করলা, শশা, ভুট্টা ও পুঁই শাক, মরিচ প্রভৃতি চাষ করা হয়েছিল। ফলনও ভালো হয়েছিল। প্রতি বিঘা জমিতে বীজ, সার, সেচ, ওষুধ ও শ্রমিকের মজুরিসহ খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকার বেশি। ফসল ভালো হওয়ায় প্রতি বিঘায় লক্ষাধিক টাকা আয়ের আশা করছিলেন কৃষকরা।

    কৃষকরা জানান, করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য কাজের সুযোগ কম। তবে জমিতে ফসল ভালো হওয়ায় তারা চিন্তামুক্ত ছিলেন। কিন্তু শিলাবৃষ্টি তাদের স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে।

    দোকান থেকে বাকিতে সার ও ওষুধ কিনে চাষাবাদ করেছিলেন বাগড়ি গ্রামের কৃষকরা। এছাড়া, ঋণ নিয়ে চাষাবাদের পিছনে ব্যয় করেছিলেন তারা। শিলাবৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হওয়ায় এখন তারা চিন্তিত—কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন তা নিয়ে।

    এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহজ শর্তে ঋণ ও সরকারি সহযোগিতা চেয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। তারা অভিযোগ করেছেন, শিলাবৃষ্টির কারণে কৃষকদের এত ক্ষতি হলেও কৃষি বিভাগ তাদের খোঁজ নেয়নি।

    তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রিয়াজউল্লাহ বাহাদুর বলেছেন, ‘কৃষকদের সাথে ফোনে কথা বলে তাদের খোঁজ নেওয়া হয় সার্বক্ষণিক। তবে বাগড়ি এলাকার কৃষকরা যোগাযোগ করেনি। বাগড়ি গ্রামে ধানসিঁড়ি নদীর তীরবর্তী এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঙ্গি-তরমুজের খেত পরিদর্শন করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সাধ্যমতো সহায়তা দেওয়া হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....