More

    বানারীপাড়ায় নিমিশেই স্বপ্ন বিলীন ১২টি পরিবার’র-পাশে দাঁড়ালেন মো. শাহে আলম এমপি

    অবশ্যই পরুন

    বানারীপাড়ায় নিমিশেই স্বপ্ন বিলীন হলো ১২ টি পরিবারের। ওই পরিবার গুলোর পাশে দাঁড়ালেন বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম। মাথা গোঁজার শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে প্রিয় সংসদ সদস্যকে কাছে পেয়ে অনেকটা সাহস পরিলক্ষিত হয়েছিলো উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়েচলা ভয়াল সন্ধ্যা নদীর আগ্রাসী ছোবলে চোখের পলকেই বসতভিটা হারিয়ে যাওয়া ১২টি পরিবারের মধ্যে।

    বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদবাড়ি গ্রামের দাসেরহাট বাজারের অদূরে হঠাৎ করে সন্ধ্যা নদীর ভাঙনের শিকার অসহায় সেই ১২টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মো. শাহে আলম।

    ভাঙনের খবর শুনে তিনি শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। ভাঙন এলাকা পরিদর্শণ করে তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে নদীর ভাঙন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তাদের পুনর্বাসনে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দেন। এছাড়া তিনি ক্ষতিগ্রস্থ এ পরিবারগুলোর মাঝে খাবার সহ সরকারি সহায়তার ব্যবস্থা গ্রহণে ইউএনও ও পিআইওকে নির্দেশ দেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চাখার ইউপি চেয়ারম্যান

    খিজির সরদার,বরিশাল জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব আওরঙ্গজেব হাওলাদার,স্থানীয় সৈয়দকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান আ.মন্নান মৃধা প্রমুখ। প্রসঙ্গত শুক্রবার রাত ১টার দিকে সৈয়দকাঠি ইউনিয়নের মসজিদবাড়ি গ্রামের দাসেরহাট বাজারের অদূরে ভাঙন কবলিত নদীর তীরে বসবাসরত রতন বাড়ৈ, নিকুঞ্জ দেউরী, মনি বাড়ৈ, অনিল দেউরী, যশরত নাটুয়া, সুনীল মাল, হাবিব সিকদার, রাজে আলী সিকদার, নির্মল বাড়ৈ, অমৃত মধু, শ্যামল গাইন ও কৃষ্ণ বৈদ্যের ঘরবাড়ি ও গাছপালা সহ বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। একরাতে চোখের সামনে সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব ও রিক্ত হয়ে ওই পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

    তাদের চোখে এখন কেবলই ঘোর অমানিশার অন্ধকার। এদিকে ওই রাতে খবর পেয়ে সৈয়দকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আ.মন্নান মৃধা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাঙনের শিকার পরিবারগুলোর কয়েকজনের বসত ঘর ও আসবাবপত্র সরিয়ে নিতে সহায়তা করেন। এছাড়া তিনি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে খাবারের ব্যবস্থা করেন। সৈয়দকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান আ.মন্নান মৃধা জানান ওই ১২টি পরিবারের বসতভিটা সম্পূর্ণ বিলীণ হয়ে গেছে এবং ভাঙন অব্যাহত থাকায় আরও বেশ কয়েকটি বাড়ির বসতঘর ও গাছ পালা কেটে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। যে কোন সময় ওই বাড়িঘর গুলোও নদী গ্রাস করে ফেলশে পারে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Virginia are quickly growing given that a significant gambling enterprise interest

    Gambling enterprise betting was just accepted within the 2020, however, major services such as for instance Streams Gambling establishment...