More

    বরিশালে গণপরিবহন ও অভ্যন্তরীন লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত

    অবশ্যই পরুন

    দেশব্যাপি মহামারী কভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে একটানা ৬৬দিন সঅদারন ছুটির পর বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাত বাস টারমিনাল ও বরিশাল দ্বীতিয় বৃহত্তম নদী বন্দর সচল হওয়ার সাথে সাথে যাত্রী সাধারনের পদচারনায় সরব হয়ে উঠলেও সাধারন যাত্রীরা এখনো রয়েছে অসচেতনার মাঝে আটকা পড়ে রয়েছে কেহ সরকারী স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারনে বাস ও লঞ্চে গুলোতে উপেক্ষিত রয়েছে।

    আজ সোমবার (১লা জুন) সকাল থেকে বরিশাল নথুল্লাবাত কেন্দ্রীয় বাস টারমিনাল এলাকায় ঘুড়ে দেখা যায় ঢাকাগামী মাওয়া পথের যাত্রীরা যাত্রীরা কে কার আগে বাসে উঠে বসবেন চলছে তার প্রতিযোগীতা।

    অন্যদিকে বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলার অভ্যন্তরীন সড়কের যাত্রীবাহী বাস কাউন্টারের মাধ্যমে লাইন দিয়ে টিকিট বিক্রি করার বিধান সৃষ্টি করা হলেও সাধারন যাত্রীরা সে নিয়ম উপেক্ষা করার পাশাপাশি নিজেরা একে অপরের গা গেসে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করতে দেখা যায়।

    অপরদিকে ঢাকা-খুলনা, যশোর সহ দুরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস কাউন্টারের কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের দুরুত্ব বজায় রেখে টিকেট সংগ্রহ করার কথা বলার পরও যাত্রীরা সেসব কথায় কোন কর্ণপাত না করে কে কার আগে টিকেট সংগ্রহ করবেন চলছে তার প্রতিযোগীতা।

    অপরদিকে কাউন্টার বিহীন মাওয়া পথের বাসের স্টাপরা সড়কে দাঁড়িয়ে টিকেট বিক্রি করছেন সেখানে দেখা যায় যাত্রীরা কোন শারীরিক দুরুত্ব বজায় না রেখে আগে টিকিট সংগ্রহের জন্য পাগল হয়ে উঠেছে।

    অপরদিকে বাস স্টাপরা সরকারী নিয়ম বেধে দেওয়া সিদ্ধান্ত না মেনে বাসে পূর্বের ন্যায় পাশাপাশি যাত্রীদের বসানো হচ্ছে অথচ প্রতিটি যাত্রীদের কাছ থেকে ৬০% অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছেন দুরুত্ব বজায় রাখার অজুহাত দেখিয়ে।

    এখানে বাস কর্তৃপক্ষ দুটি নিয়ম পালন করছেন বাস টারমিনাল এলাকায় মাইকদ্বারা প্রচার-প্রচারনা করার মাধ্যমে যাত্রীদেরকে মাক্স ছাড়া গাড়ীতে উঠতে নিষেদের পাশাপাশি বাসে ঊঠার পূর্বে জীবনুনাশক ¯েপ্র করার মাধ্যমে যাত্রীদেরকে তোলা হচ্ছে।

    এর পর্বে গাড়ীতে যাত্রী উঠাবার পূর্বে প্রতিটি গাড়ীতে জীবনুনাশক স্পে করে গাড়ীগুলো জীবানুমুক্ত করে নিতে দেখা যায়।

    এছাড়া অপরদিকে বরিশাল নদী বন্দর এলাকায় সকালে দেখা মেলে বরিশালের অভ্যন্তরীন রুটের চালকরা লঞ্চগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে।

    ভোর থেকেই লঞ্চগুলো চলাচল শুরু হলেও স্বাস্থ্যবিধি তদারকি করতে নৌ পুলিশের সদস্য বা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সদস্যকে সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত কাউকে নদী বন্দর পল্টুন এলাকায় তাদের পদচারনা পড়েনি।

    আর এ কারনেই লঞ্চ যাত্রী এবং স্টাপরা নিয়ম উপেক্ষা করেই যাতায়াত করে যাচ্ছে। এসময় বরিশালের পাশ্ববর্তী দ্বীপ জেলা ভোলা থেকে বরিশালে আসা লঞ্চগুলো বেশী স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে।

    এসময় লঞ্চে দেখা যায় লঞ্চে জীবনুনাশক স্পে সহ হাত ধোয়ার কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এমনকি বরিশালে আসা অধিকাংশ যাত্রীদের মুখে ছিলনা মাক্স।

    এসময় তাদের কাছে মাক্স নেই কেন জানতে চাইলে তাদের অজুহাতের শেষ নেই। কেহ বলছে মাক্স ছিল হারিয়ে গেছে,তারা আবার কিনে নেবেন,আবার কেহ বলছে তাড়াহুড়া করে আসার সময় ভুলে রেখে এসেছেন।

    এখানে একটি স্বাস্থ্যবিধি নিয়ম পালন করতে গেছে তিন জন যাত্রীরস্থলে লঞ্চ কতর্দৃপক্ষ সেখানে দু’জন যাত্রীকে বসতে দিয়েছে।

    এসময় কতিপয় যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন লঞ্চে যাত্রীদের স্বাস্থবিধি মেনে চলা ও বলার জন্য কেহ নেই। তবে এখানে মাস্টাররা যাত্রীদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তাড়া লঞ্চ ছাড়ার পর জীবনুনাশক স্পে করার পর ধোয়া মোছা করা হয়।

    এছাড়া রবিবার বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সুন্দর বন (১১),সুভী (৯) ও এ্যাডভ্যেঞ্চার (৯) লঞ্চগুলোর ঢাকামুখি তৃতিয় শ্রেনীর ডেক যাত্রীদের উপছে পড়া ভীড় সামাল দিতে নির্ধারিত ছাড়ার সময়ের পূর্বে জেলা প্রশাসকের ভ্রাশ্যমান মোবাইল আদালতের বিচারক মোঃ জিয়াউর রহমান দেড় ঘন্টা আগে লঞ্চগুলো ঘাট ত্যাগ করার আদেশ দিলে সেখানে তিনটি লঞ্চের অগ্রিম টিকেট কাটা প্রায় ৪শতাধিক কেবিন যাত্রী ঢাকায় যেতে না পেড়ে চরম দূর্ভোগের শিকার হয়।

    এবিষয় লঞ্চ অফিস কর্তৃপক্ষ জানান যারা গতকাল যেতে পারেন নাই সেই টিকেটে আজ যেতে পারবে নতুবা টাকা ফেরত দেওয়া ।

    এজন্যই বর্তমানে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার কারনে ও তাদের ভীড় সামাল দেওয়ার জন্য প্রতিটি যাত্রীকে সন্ধা ৬টার মধ্যে ঘাটে থাকার আহবান জানান।

    এব্যাপারে নদী বন্দর উপ-পরিচালক আজমল হুদা মিঠু সরকার বলেন যেসব যাত্রী বা লঞ্চ স্টাপদের মাক্স নেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেননা তাদেরকে এসব ব্যবহার করে যাত্রা করতে দিচ্ছেন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....