More

    শেবাচিমে ইন্টার্ন চিকিৎসক-কর্মচারীদের বিরোধ তুঙ্গে

    অবশ্যই পরুন

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) ইন্টার্ন চিকিৎসক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে বিরোধ তুঙ্গে পৌঁছেছে।

    হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির দোষী দুই কর্মচারীর বিচার আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে না করলে কর্মবিরতির হুমকি দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

    অপরদিকে দুই অফিস সহায়ককে ইন্টার্ন চিকিৎসক কর্তৃক মারধরের ঘটনার দ্রুত বিচার না করা হলে আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা। অন্যদিকে, এ ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    শনিবার (৪ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় হাসপাতাল পরিচালকের কার্যালয়ে যান ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা হাসপাতালের দুই অফিস সহায়কের বিচার দাবি করেন। ৭২ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ বিচার না পেলে কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচির হুমকি দেন তারা।

    এর পরপরই বেলা ১২টার দিকে হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে তাদের দুই অফিস সহায়ককে ইন্টার্ন চিকিৎসক কর্তৃক মারধরের ঘটনার বিচার দাবিতে পরিচালকের কাছে লিখিত আবেদন জানান।

    এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে তারাও আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন শেবাচিম হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোদাচ্ছের আলী।

    এ ব্যাপারে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন বলেন, ঘটনার তদন্তে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. জসিমউদ্দিন হাওলাদারকে সভাপতি করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এই প্রতিবেদন অনুসারে নেয়া হবে যথাযথ ব্যবস্থা।

    উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন মধ্যরাতে হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন একনারী ইন্টার্ন চিকিৎসকে দুই অফিস সহায়ক কর্তৃক উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনা অন্যান্য ইন্টার্ন চিকিৎসকরা জনান পর ওই দুই অফিস সহায়ক দিদারুল ইসলাম ও নুরুল ইসলামকে ছাত্রাবাসে নিয়ে মারধর করার পাল্টা অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার থেকে পরিচালকের কাছে পরস্পরকে দায়ী করে বিচার জানিয়ে আসছে উভয়পক্ষ।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Les atouts des SARMs pour votre entraînement musculaire

    Les SARMs, ou Sélective Androgen Receptor Modulators, représentent une avancée significative dans le domaine de la musculation et de...