More

    বরিশালে ‍এসেছে করোনার টিকা

    অবশ্যই পরুন

    করোনাভাইরাস প্রতিরোধক ভ্যাকসিন শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশালে পৌঁছেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৭ কিংবা ৮ ফেব্রুয়ারি এ ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরুর হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বেলা ১২টার দিকে ঢাকা থেকে ফ্রিজার ভ্যানে বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছায় করোনা প্রতিরোধক ভ্যাকসিন। প্রথম চালানে বরিশাল জেলার জন্য ১৪ কার্টন ভ্যাকসিন এসেছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন।

    পরে এগুলো বিভিন্ন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করার কথা জানান তিনি। বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার মধ্যে ৫ জেলায় ভ্যাকসিন পৌঁছালেও পিরোজপুর জেলায় ভ্যাকসিন পৌঁছবে ৩১ জানুয়ারি।

    সরকারি নির্দেশনা ছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ে টিকা প্রদান শুরু করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস। তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে করোনা ভ্যাকসিন সংরক্ষণ এবং প্রয়োগের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নার্সদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এবার জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ভ্যাকসিনেটরদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।’

    বরিশাল বিভাগে ভ্যাকসিনেটর ও স্বেচ্ছাসেবকসহ মোট ৮৮৮ জন করোনা ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এর মধ্যে ১৩২ জন ভ্যাকসিনেটর এবং স্বেচ্ছাসবেক থাকবেন ৭৫৬ জন। আগামী ৭ অথবা ৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বরিশাল বিভাগে করোনা টিকা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে।

    ১৫ ক্যাটাগরির মানুষকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা বন্টন করা হবে। এর মধ্যে সামরিক-বেসামরিক, সরকারি চাকরিজীবী, স্বাস্থ্যকর্মী, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, উন্নয়ন সংস্থার কর্মী এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের আগে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে।

    সে হিসেবে প্রথম পর্যায়ে বরিশাল জেলায় ১ লাখ ৬৮ হাজার জন, পটুয়াখালীতে ৪৮ হাজার জন, ঝালকাঠিতে ১২ হাজার জন, পিরোজপুরে ৩৬ হাজার জন, ভোলায় ৬০ হাজার জন এবং বরগুনায় ২৪ হাজার ব্যক্তি এই টিকা পাবেন।

    বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় জানিয়েছে, ভ্যাকসিন প্রদানের প্রতিটি টিমে ২ জন উচ্চ প্রশিক্ষিত ভ্যাকসিনেটর এবং ৪বজন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৪টি টিম, প্রতিটি জেলা হাসপাতালে ৮টি টিম, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২টি করে টিম করোনার টিকা প্রয়োগের দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অতিরিক্ত হিসেবে সিভিল সার্জন কার্যালয়ে একটি টিম স্ট্যান্ডবাই রাখা হবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০টি টিম ভ্যাকসিন প্রয়োগের দায়িত্বে থাকবে।

    বিভাগে প্রথম দফায় ৩৩ কার্টনে ৩ লাখ ৯৬ হাজার ডোজ টিকা আসবে। প্রথম পর্যায়ে ২৯ কার্টন বা ৩ লাখ ৪৮ হাজার ডোজ টিকা ৬ জেলায় প্রয়োগে করা হবে। ২৯ কার্টন টিকার মধ্যে বরিশালে ১৪ কার্টন, ভোলায় ৫ কার্টন, পটুয়াখালীতে ৪ কার্টন, পিরোজপুরে ৩ কার্টন, বরগুনা জেলায় ২ কার্টন এবং ঝালকাঠিতে ১ কার্টন টিকা দেওয়া হবে। করোনা সংক্রমণের ওপর ভিত্তি করে বন্টন প্রক্রিয়া হচ্ছে। বাকি ৪ কার্টন বা ৪৮ হাজার ডোজ টিকা জরুরি প্রয়োজনে সংরক্ষণ করা হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    When they do not, predict verification factors after you just be sure to cash-out

    Trying outsmart the device which have numerous membership? But don't ignore the KYC (Know The Customer) step, or distributions...