More

    বরিশালে ঘুষের টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে পরিদর্শক লাঞ্ছিত, ২ পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

    অবশ্যই পরুন

    বরিশালের বাকেরগঞ্জে ঘুষের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব মেটাতে গিয়ে ট্রাফিকের এক টিআইকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে সার্জেন্ট আসাদ ও টিএসআই আইয়ুব আলীকে ক্লোজড করা হয়েছে।

    বুধবার (৫ মে) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের দফতর থেকে এই আদেশ দেয়া হয়।

    গত ৩০ এপ্রিল সকালে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) মো. ফিরোজ প্রধানকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর মো. ফিরোজ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

    জেলা ট্রাফিক পুলিশের একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, ট্রাফিক পুলিশের বাকেরগঞ্জ জোনে কর্মরত রয়েছেন ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. আসাদ, সার্জেন্ট সুজন, টিএসআই আইয়ুব আলী ও টিএসআই আব্দুল জলিল। লকডাউন কার্যকরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ওই চার পুলিশ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। তবে সার্জেন্ট মো. আসাদ, টিএসআই আইয়ুব আলী এ নির্দেশ অমান্য করে আলাদাভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ এপ্রিল সার্জেন্ট মো. আসাদ ও টিএসআই আইয়ুব আলী বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা ও লেবুখালী ব্রিজের বাকেরগঞ্জ প্রান্তে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ওইদিন দায়িত্ব পালনকালে তারা যানবাহন থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজি করেন। চাঁদাবাজির বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারেন বাকেরগঞ্জ জোনের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) মো. ফিরোজ প্রধান। তিনি পরদিন ৩০ এপ্রিল সকালে বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যান। এসময় সেখানে দায়িত্বপালনরত সার্জেন্ট মো. আসাদ ও টিএসআই আইয়ুব আলীকে অন্য সদস্যদের সঙ্গে মিলেমিশে চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনের জন্য বলেন এবং যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগের বিষয় তাদের সতর্ক করেন। তবে সার্জেন্ট আসাদ ও টিএসআই আইয়ুব অন্যদের সঙ্গে চেকপোস্টে দায়িত্বপালনে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। এসময় পরিদর্শক ফিরোজের সঙ্গে তাদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা ট্রাফিক পরিদর্শক ফিরোজকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন, ধাক্কা দেন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এতে পরিদর্শক ফিরোজ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে এলে ঘটনা অনুসন্ধান করে দেখা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) ফরহাদ সরদার জানান, সার্জেন্ট মো. আসাদ ও আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে তাদের থেকে উচ্চপদে থাকা এক কর্মকর্তার সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ কারণে পুলিশ সুপারের এক আদেশে তাদের দুইজনকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    টিআই ফিরোজ রাজধানী ঢাকায় চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার ঘনিষ্ট একজন জানান, ফিরোজের শারীরিক অবস্থা ভালো না। তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।’

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    There are plenty of most other incentive provides can claim within Borgata

    But not, it�s value noting that there is a good 1x betting dependence on the new Borgata No-deposit Added...