More

    বরিশালে ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় প্রস্তুত ৩১০১ আশ্রয় কেন্দ্র,কেল্লা ৩৫ টি

    অবশ্যই পরুন

    স্টাফ রিপোর্টারঃআজ ১৩ মে শনিবার বিকাল ৪ টায় বরিশাল বিভাগীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোখার সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় বরিশাল বিভাগীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বিভাগীয় কমিশনার বরিশাল মোঃ আমিন উল আহসান এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি বরিশাল রেঞ্জ বরিশাল এসএম আক্তারুজ্জামান, পুলিশ কমিশনার বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ মোঃ সাইফুল ইসলাম বিপিএম (বার), শেখ হাসিনা সেনানিবাস লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ হাবিবুর রহমান, পরিচালক স্বাস্থ্য ডাঃ মোঃ হুমায়ুন শাহীন খান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার বৃন্দ, জেলা প্রশাসক বরিশাল মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ কমিটির সকল সদস্য বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবেলায় বরিশাল বিভাগের প্রস্তুতি:- বরিশাল বিভাগে মোট আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত ৩১০১ টি, প্রস্তুত মুজিব কেল্লা ৩৫ টি, মানুষের ধারণক্ষমতা ১৬ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬০৬ জন, গবাদিপশু ১২ লক্ষ ৪১ হাজার ৪৯০ টি, খাদ্যশস্য ২৭০৮ মেট্রিক টন, নগদ অর্থ ৫৯ লক্ষ ২০ হাজার ৮০৪ টাকা, কম্বল ২০৭০০ পিস, টিন ৫৪৩ বান্ডিল, স্বেচ্ছাসেবক ৩৯৪২৫ জন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ৪৮ টি, মেডিক্যাল টিম ৩৫৭ টি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ২০ টি।

    বরিশাল জেলায় আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত ৫৪১ টি, মানুষের ধারণক্ষমতা ২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫০০ জন, গবাদিপশু ৫০ হাজার, খাদ্যশস্য ৮৯৯ মেট্রিক টন, নগদ অর্থ ৯ লক্ষ টাকা, কম্বল ৫০০০ পিস, টিন ১৩ বান্ডিল, স্বেচ্ছাসেবক ২ হাজার, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ১১ টি, মেডিক্যাল টিম ১১ টি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ২০ টি।

    পটুয়াখালী জেলার আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত ৭০৩ টি, প্রস্তুত মুজিব কেল্লা ২৬ টি, মানুষের ধারণক্ষমতা ২ লক্ষ ৫০ হাজার জন, গবাদিপশু ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬০০ টি, খাদ্যশস্য ৪০০ মেট্রিক টন, নগদ অর্থ ৮ লক্ষ ২২ হাজার ৫০০ টাকা, কম্বল ৪০০ পিস, টিন ১৪৬ বান্ডিল, স্বেচ্ছাসেবক ৬৯৫০ জন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ৯ টি, মেডিক্যাল টিম ৭৬ টি।

    ভোলা জেলার আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত ৭৪৬ টি, প্রস্তুত মুজিব কেল্লা ৬ টি, মানুষের ধারণক্ষমতা ৫ লক্ষ ৬৩ হাজার ৯৭৬ জন, গবাদিপশু ১০ লক্ষ ৯ হাজার ৩০০ টি, খাদ্যশস্য ৩৫০ মেট্রিক টন, নগদ অর্থ ১২ লক্ষ ৯২ হাজার ৩০৪ টাকা, কম্বল ৪০০০ পিস, টিন ১৬৪ বান্ডিল, স্বেচ্ছাসেবক ১৮৬০০ জন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ৮ টি, মেডিক্যাল টিম ৯৮ টি এবং গবাদিপশুর জন্য ২১ টি।

    বরগুনা জেলার আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত ৬৪২ টি, প্রস্তুত মুজিব কেল্লা ৩ টি, মানুষের ধারণক্ষমতা ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৫১০ জন, গবাদিপশু ১৯৪০ টি, খাদ্যশস্য ২৯৪ মেট্রিক টন, নগদ অর্থ ১২ লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা, কম্বল ২০০০ পিস, টিন ১৪২ বান্ডিল, স্বেচ্ছাসেবক ৯৬৬৫ জন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ৭ টি, মেডিক্যাল টিম ৪৯ টি।

    পিরোজপুর জেলার আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত ৪০৭ টি, মানুষের ধারণক্ষমতা ২ লক্ষ ৭৪ হাজার ৬২০ জন, গবাদিপশু ১৯ হাজার ২৫০ টি, খাদ্যশস্য ৪০০ মেট্রিক টন, নগদ অর্থ ৮ লক্ষ টাকা, কম্বল ৫৬০০ পিস, টিন ৭৬ বান্ডিল, স্বেচ্ছাসেবক ২০৫০ জন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ৮ টি, মেডিক্যাল টিম ৬৪ টি।

    ঝালকাঠি জেলার আশ্রয় কেন্দ্রে প্রস্তুত ৬২ টি, মানুষের ধারণক্ষমতা ২১ হাজার জন, গবাদিপশু ৭ হাজার ৪০০ টি, খাদ্যশস্য ৩৬৫ মেট্রিক টন, নগদ অর্থ ৮ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, কম্বল ৩৭০০ পিস, স্বেচ্ছাসেবক ১৬০ জন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ৫ টি, মেডিক্যাল টিম ৩৮ টি।

    জরুরি সভায় বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ মোখা মোকাবিলায় বিভাগীয় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভার সিদ্ধান্তঃ

    ১/ সকল ধরনের সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি সেখানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
    ২/ পর্যাপ্ত শুকনো খাবারের পাশাপাশি পানি বিশুদ্ধ করন ঔষধ, মোমবাতি, ম্যাচ, খাবার স্যালাইন, প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ঔষধ এর ব্যবস্থা রাখা।
    ৩/ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে সেখানে মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। পাশাপাশি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত বহুতল ভবন, অফিস সমূহ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
    ৪/ বিভাগের সকল স্থানে মাইকিং ও আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্য প্রচার করতে হবে।
    ৫/ প্রাণীসম্পদ রক্ষায় গুরুত্ব আরোপ করতে হবে এবং পর্যাপ্ত গোখাদ্যর ব্যবস্থা রাখতে হবে।
    ৬/ সিপিপি, রেড ক্রিসেন্ট সহ সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো দূর্যোগ মোকাবেলায় সকল ধরণের প্রস্তুত রাখতে হবে।
    ৭/ বিভাগীয়, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হবে।
    ৮/ বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে যাতে সল্পতায় সময়ের নোটিশে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Wettanbieter ohne OASIS bringen frischen Wind in die Wettwelt – doch wie einfach ist der Einstieg wirklich?

    Wettanbieter ohne OASIS bieten oft eine schlankere Benutzeroberfläche und unkomplizierte Zahlungsoptionen, doch wie intuitiv der Einstieg für Neueinsteiger wirklich ist, bleibt spannend zu beobachten.