More

    বরিশালে সবজির বাজার চড়া, ক্ষুব্ধ ক্রেতারা

    অবশ্যই পরুন

    স্টাফ রিপোর্টারঃ কুয়াশা ও তীব্র শীত অন্যদিকে হরতাল অবরোধের কারণে ব্যাহত হচ্ছে বরিশালের বাজারে সবজির সরবরাহ।

    ফলে প্রতিদিন বেড়েই চলেছে সবজির দাম। শীতের ভরা মৌসুুমে সবজির দাম নাগালে থাকার কথা থাকলেও ঘন কুয়াশা ও হরতাল অবরোধে কারনে বরিশালে সবজির বাজার বেশ চড়া। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি সবজিতে দাম বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা।

    ক্রেতাদের অভিযোগ, শীতের মৌসুম থাকা সত্যেও প্রতি সপ্তাহে সবজির দাম বেড়েই চলেছে। বাজারের সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন,শীতের মৌসুমে সবজির দাম গত সপ্তাহে কম থাকলেও গত দুই দিনে তা কেজি প্রতি ৫/১০ টাকা বেড়েছে।

    এর প্রধান কারন হল ঘন কুয়াশা ও দফায় দফায় হরতাল অবরোধ। কুয়াশা বেশির কারনে সবজির গাড়ি রাস্তায় আটকে থাকে এছাড়া বিএনপির ডাকা দফায় দফায় হরতাল অবরোধে গাড়ি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। যে কারনে অনেক সবজি রাস্তায় বসে নষ্ট হচ্ছে।

    আর এই সকল কারনেই দাম একটু বেশি বলে মনে করছে বরিশালের খুচরা ব্যবসায়ীরা।

    ২৪ ডিসেম্বর নগরীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। বাজারে মূলা প্রতি কেজি ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৮০ টাকা ,শালগম প্রতি কেজি ৫০ টাকা,পেঁপে প্রতি কেজি ৪০,পেঁয়াজের ফুল প্রতি কেজি ৬০ টাকা, বেগুন প্রতি কেজি ৭০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি ৪০ টাকা,শসা ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস আকারভেদে ৭০ থেকে ১২০ টাকা, ফুলকপি প্রতি কেজি ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৫০ টাকা,শিম প্রতি কেজি ৬০ টাকা,করলা প্রতি কেজি ৯০ টাকা,বাঁধাকপি প্রতি কেজি ৩৫ টাকা। প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১৪৫ টাকা এবং রসুন দেশি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    প্রতি কেজি আদার দাম পড়ছে ২২০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি মসুরের ডাল ১৪০ টাকা এবং ভারতীয় মসুর ডালে কিনতে দাম লাগছে ১১০ টাকা। এ ছাড়া বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৭০ টাকা এবং লবণের কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি ব্রয়লার মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা এবং দেশি মুরগির ডিমের দাম পড়ছে ৮০ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা,

    সোনালি মুরগি ৩৩০ ও লেয়ার মুরগি ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বাজারে ৭০০ কেজি গরুর মাংস এবং ১০০০ টাকা কেজি দরে খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে। এদিকে চালের বাজার অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে আগের মতোই চড়া দাম রয়েছে মাছের বাজারে।

    ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্রেতা আনোয়ার বলেন, প্রতিদিনই বাজারে কিছু না কিছুর দাম বেড়েই চলছে। এমন চলতে থাকলে কয়েক দিন পর না খেয়ে থাকতে হবে। ক্ষোভ প্রকাশ করে আরেক ক্রেতা বলেন বলেন, ‘সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম বেড়েছে। আমাদের সামর্থ্য ফুরিয়ে আসছে।

    সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় ছোট বাচ্চাদের খাবার কমিয়ে দিয়েছি, আগের বাসা ছেড়ে কম ভাড়ার বাসায় উঠেছি। জানি না, কত দিন আর সইতে পারব। বাচ্চাদের পাতে সপ্তাহে দুই দিনও মাছ, মাংস দিতে পারছি না।

    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সূমি রানী মিত্র বলেন,জনস্বার্থে আমাদের বাজার তদারকিমূলক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।কেউ অযথা মূল্য বৃদ্ধি করলে জরিমানাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।আপনাদের ভোক্তা অধিকার ক্ষুন্ন হয় এমন কোন ঘটনা ঘটলে আমদের অবগত করুন বা ১৬১২১ নম্বরে যোগাযোগ করুন।

    আমরা তৎক্ষনাৎ ব্যবস্থা গ্রহন করবো। এদিকে লাগামহীন এই মূল্যবৃদ্ধি কমানোর দাবীতে দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Avantages, primes et salaire

    Cependant, les montants peuvent légèrement varier selon la région. Oui, cette offre est accessible dans plusieurs pays d’Afrique francophone...