More

    প্রকারভেদে বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম

    অবশ্যই পরুন

    স্টাফ রিপোর্টারঃ নওগাঁয় বেড়েছে সকল ধরনের চালের দাম। পাইকারি বাজারে বস্তা প্রতি দেড়শ থেকে দুইশ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা বাজারে কেজি প্রতি তিন থেকে চার টাকা বেড়েছে চালের দাম। তবে সব থেকে বেশি দাম বেড়েছে নব্বই জাতের আতব চালের দাম। বস্তা প্রতি হাজার টাকা বেড়ে যাওয়ায় কেজি প্রতি বিশ টাকা বেড়েছে।

    পৌর খুচরা ও পাইকারি বাজারের চাল ব্যবসায়ীরা জানান, পাইকারি বাজারে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়েছে। বর্তমানে কাটারি, জিরাশাইল ও আটাশ জাতের চিকন চালের দাম খুচরা বাজারে কেজি প্রতি দুই থেকে তিন টাকা বেড়েছে। পূর্বে এই জাতের চালের দর ৬০-৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৬৮-৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন তারা।

    আর মোটা স্বর্না-৫ জাতের চালের দাম বেড়েছে ২/৩ টাকা। পূর্বে এ জাতের চাল খুচরা বাজারে ৪৬-৪৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন তারা। পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তায় চাউলের দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে বেড়েছে দাম এমনটাই বলছেন ব্যবসায়ীরা।

    নওগাঁ পৌর চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক উত্তম সরকার জানিয়েছেন, তিন সপ্তাহের ব্যবধানে নব্বই জাতের আতব চাল কেজি প্রতি বেড়েছে ২০ টাকা। পূর্বে তারা এই জাতের চাল ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করলেও বর্তমানে তারা তা ৯০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন।

    আর এই জাতের চাল বস্তা প্রতি এক হাজার টাকা বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে তার দাম বেড়েছে। এর পাশাপাশি বেড়েছে বিভিন্ন জাতের মোটা ও চিকন চালের দাম। আমদানি না থাকায় চাহিদা বেড়ে যাওয়ার কারণে দাম বেড়েছে বলে জানান তিনি।

    এদিকে ক্রেতারা হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, দফায় দফায় সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বেড়ে যাচ্ছে। চাউলের দামও বেড়ে গেল। এখন সংসার চালাতে বাড়তি সঞ্চয় খরচ করতে হচ্ছে। সরকারের উচিত খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল জিনিস পত্রের দাম কমানো।

    অপরদিকে জেলা চাল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার জানান, ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় চালের বাজারে তার প্রভাব পড়েছে। আগে চালের দাম তুলনামূলক কম ছিলো। এখন একটি স্টার্ন্ডাড দাম রয়েছে বাজারে। জেলার কোনো ব্যবসায়ী সরকার নির্ধারিত থেকে বেশি চাল মজুদ করে দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নেই।

    বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেলে সব থেকে অসহায় হয়ে পড়েন সাধারণ ক্রেতারা। তারা দিনে রোজগার করে প্রতিদিনের খাবার চাহিদা মিটিয়ে থাকেন। তারা সরকারের কাছে চালসহ সকল নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে আনার দাবি জানান।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Be involved in some lighter moments challenges and you can objectives in return for advantages

    If this is a gaming webpages for your https://hrvatska-lutrija-hu.com/ requirements, strike the on the-page banners and get been now....