More

    বিড়িতে সুখটান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার অভিযোগ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে ঝালকাঠি-১ আসনের জামায়াত প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    অবশ্যই পরুন

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা ও ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার অভিযোগে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফয়জুল হককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    শুক্রবার (৯ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় ঝালকাঠি-১ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কর্মকর্তা এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয় আদালত) রেজওয়ানা আফরিন এ নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনী উঠান বৈঠকে জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হক ভোটারদের উদ্দেশ্যে এমন বক্তব্য দেন, যা নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এবং ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনার শামিল। তিনি ওই বক্তব্যে বলেন— “আমার ভাই হয়তো কোনদিনই ইবাদত করার সুযোগ পান নাই, ওই সুখটান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে ওই দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিয়ে আল্লার দ্বারে কবুল হয়ে যায়, এমনও হতে পারে পিছদের সব মাফ করে দিয়ে আল্লাহ তো ভালোও করে দিতে পারে।

    ” নোটিশে আরও বলা হয়, কমিটির নিকট প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য, সংবাদ প্রতিবেদন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপাত্ত পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়েছে যে, গত ৭ জানুয়ারি বুধবার রাতে রাজাপুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনী উঠান বৈঠকে জনসমক্ষে উপরোক্ত বক্তব্য প্রদান করেন ফয়জুল হক। উক্ত বক্তব্যটি ডেইলি ক্যাম্পাস ও আরটিভি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়।

    এছাড়া “Fayzul Huq The Youth Leader of Bangladesh” নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি (লাইভ) সম্প্রচারিত ওই ভিডিওতে তাকে প্রকাশ্যে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করতে দেখা যায়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী প্রচারণায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা বা ধর্মকে ব্যবহার করে ভোট প্রার্থনা করা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (ক)-এর লঙ্ঘন।

    একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মীয় ও জাতিগত অনুভূতির অপব্যবহার বিধি ১৬-এর উপবিধি (ঙ) এবং নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো বিধি ১৮-এর স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়। এই প্রেক্ষিতে সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৫-এর উপবিধি (ক), বিধি ১৬-এর উপবিধি (ঙ) এবং বিধি ১৮ লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে অনুসন্ধান প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না—সে বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ১২ জানুয়ারি সোমবার সশরীরে উপস্থিত হয়ে ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের দ্বিতীয় তলায় যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক রেজওয়ানা আফরিনের কার্যালয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হক বলেন, “আমার বক্তব্যটি মিসলিড করা হয়েছে। একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে কথা বলতে হয়। সমাজে দাঁড়িওয়ালা মানুষ আছেন, দাঁড়ি ছাড়া মানুষও আছেন, বিড়ি বা সিগারেট খান—এমন মানুষও আছেন।

    আমি বিশেষ করে দোকানে বসে বিড়ি খাওয়া মানুষদের উদ্দেশে বলেছি—আপনারা বিড়ি টানতে টানতেই দাঁড়িপাল্লায় একটি ভোট চাইবেন। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই সঠিক সময়ে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে প্রস্তুত।”

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Doradca odpowiadali szybko i bedziesz rzeczowo z pytania, a jego doswiadczenie kasyna alternatywa epopeja

    Mozesz wykorzystac bezpiecznie dokonywac wplat i bedziesz wyplat, a takze zrelaksowac sie i grac na swoje preferencje gra online...