More

    বরিশালে নদী দখল করে দোকান, নৌযান চলাচল ব্যহত

    অবশ্যই পরুন

    বরিশালের মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলের জয়ন্তী নদীর অংশ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করছেন তাঁরা।

    জমির মালিকানা দাবি করে বাঁশ দিয়ে দখলকারীরা নদীতে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা। এ ঘটনায় গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ীরা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান হাওলাদার জানান, বন্দরের ব্যবসায়ীরা ঢাকা-বরিশাল থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য নয়াভাঙনী ও জয়ন্তী নদী ব্যবহার করে থাকেন। নদীতে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচলে কিছুটা ব্যাহত হলেও জোয়ার-ভাটা হিসাব করে ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহন করেন।

    কয়েক দিন ধরে চরডিক্রী এলাকার হারুন হাওলাদার, রাজ্জাক সিকদার, মোবারক খান ও তাঁদের লোকজন কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী নদীতে বাঁশ দিয়ে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা ট্রলার নিয়ে জয়ন্তী নদীতে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সড়কপথে পরিবহন করতে হবে। মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, মুলাদী বন্দরের শতাধিক ব্যবসায়ী ও কাঠবাজারের লোকজন ট্রলারে পণ্য পরিবহন করে থাকেন। প্রভাবশালীরা নদী দখল করে দোকান নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে বাঁশ দিয়ে বাঁধ দিয়ে পুরো নদী দখল করছেন। এ ছাড়া নদীর পশ্চিম পাশের অংশ দখল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ বিপন্ন হবে। তাই নদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে। মুলাদী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি এফ এম মাইনুল ইসলাম বলেন, নৌপথে পণ্য পরিবহন খরচ তুলনামূলক কম। নদীতে নৌযান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়বেন। সরকারি জমি ও নদী রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক সিকদার নদী দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের রেকর্ডীয় জমিতে পাইলিং করে ভবন নির্মাণ করছি।

    এতে নদীতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই। এ ছাড়া জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলে চর জেগে ওঠায় বর্ষা মৌসুম ছাড়া নৌযান চলাচল করতে পারে না।’ মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা বলেন, সরকারি ও নদী দখলের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে নদী দখলের সত্যতা পাওয়া গেছে।

    সার্ভেয়ার দিয়ে জরিপ শেষে প্রয়োজনে স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি ও নদী রক্ষা করা হবে। মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Как технологии помогают отыскивать соратников

    Как технологии помогают отыскивать единомышленников Нынешние технологии фундаментально трансформировали варианты коммуникации между индивидами, образовав невиданные шансы для нахождения тех, кто...