More

    পিরোজপুরে শেষ সময়ে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

    অবশ্যই পরুন

    পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জমে উঠেছে পিরোজপুরের বাজারগুলো। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার মার্কেটগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। রং-বেরঙের পোশাক কিনতেই বেশি ব্যস্ত নারী-পুরুষ ও তরুণ-তরুণীরা।

    জানা গেছে, জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলার বাজারগুলো এখন ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর। রমজানের শুরুতে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকলেও, ১০ রোজার পর থেকেই জমে উঠেছে কেনাবেচা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতারা পছন্দমতো শাড়ি, পাঞ্জাবি, প্যান্ট ও থ্রি-পিস কিনছেন।

    ব্যবসায়ীরা জানান, জিন্স প্যান্ট বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। পাঞ্জাবি ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা এবং শার্ট ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকার মধ্যে। এ বছর ভারতীয় ও পাকিস্তানি থ্রি-পিসের চাহিদা বেশি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। প্রতিটি শাড়ি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে। শিশুদের পোশাকের দাম ১ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা।

    সুমাইয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর পোশাকের দাম কিছুটা বেশি। তবে ঈদের আনন্দে প্রিয়জনের মুখে হাসি ফোটাতে একটু বেশি দাম দিয়েই পোশাক কিনতে হচ্ছে। নেছার উদ্দিন নামে আরেক ক্রেতা বলেন, মধ্যম আয়ের পরিবারের জন্য বর্তমান বাজার মোটামুটি ভালো মনে হচ্ছে। তবে পণ্যগুলোর আরও কিছুটা দাম কম হলে সবারই কেনাকাটা করতে সুবিধা হতো। ইয়াসমিন সুলতানা নামে আরেক নারী জানান, আমার পরিবারের বাজেট অল্প।

    আমি আমার ছেলে ও আমার বোনের জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। ওদের জন্য কেনাকাটা শেষ হলে, সম্ভব হলে আমি কিছু কিনব। নিজাম উদ্দিন ও আব্দুল মান্নান নামে দুই ব্যবসায়ী জানান, গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি ভালো। ক্রেতাদের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন ধরনের পোশাক বাজারে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের বিক্রি বেশি। সব মিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ।

    পিরোজপুর জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আহসানুল কবির বলেন, ঈদের বাজার সুষ্ঠুভাবে চলছে, আমরা সর্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অসদাচরণসহ চুরি, ছিনতাই ঠেকাতে আমরা ব্যবসায়ী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি।

    ঈদ উপলক্ষে কিছু কুচক্রী মহল বাজারে জাল টাকা ছড়ানোর চেষ্টা করে, এ বিষয়ে আমরা তৎপর রয়েছি। এ ছাড়া পোশাকের পাশাপাশি জেলা শহরের বিভিন্ন মার্কেটে জুতা ও কসমেটিকসের দোকানেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Online Casino Spelen: Een Gids voor Beginner en Gevorderde

    ContentOntdek de Wereld van Online Casino SpelenPopulaire Online Casino SpellenTips voor Verantwoord Gokken In de opwindende wereld van online entertainment,...