More

    বানারীপাড়ায় ব্যবসায়ী তৈয়ব হত্যার প্রতিবাদে ও ঘাতকদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

    অবশ্যই পরুন

    বরিশালের বানারীপাড়ায় উদয়কাঠী বাজারের মুদি ও বিকাশ এজেন্ট ব্যবসায়ী মোঃ তৈয়ব বাহাদুরকে (৪৫) হত্যার প্রতিবাদে ও ঘাতকদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (২৩ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপি উদয়কাঠী বাজার থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমে মধুরভিটা ও পূর্বে মলুহার বড় ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ বিক্ষোভ মিছিলটি প্রদক্ষিণ করে। এতে উদয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন-উর রশিদ স্বপন ও স্থানীয় ইউপি সদস্য নাদিম তালুকদার এবং উদয়কাঠী বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
    মিছিলে “আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে- প্রশাসন জবাব চাই” প্রভৃতি স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। মিছিলকারীদের হাতে এসময় স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ডও ছিল। এর আগে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে রোববার সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের মলুহার গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাড়িতে জানাজা শেষে নিহত ব্যবসায়ী তৈয়ব বাহাদুরকে পারিবারিক কবরস্থানে চির নিন্দ্রায় শায়িত করা হয়। রোববার নিহতের ছোট ভাই চানমিয়া বাহাদুর বাদী হয়ে বানারীপাড়া থানায় অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
    প্রসঙ্গত , ব্যবসায়ী তৈয়ব বাহাদুর ঈদের দিন শনিবার (২১ মার্চ) রাত প্রায় ১১টা পর্যন্ত উদয়কাঠী বাজারে তার মুদি ও বিকাশের দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। রাত ১১টার পর দোকান বন্ধ করে দিনের লেনদেনের টাকা সঙ্গে নিয়ে তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। কিন্তু গভীর রাত পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
    খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে রাত আনুমানিক  সাড়ে ৩টার দিকে বাড়ি যাওয়ার পথে পার্শ্ববর্তী উদয়কাঠী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বারের বাড়ির উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি জমিতে জমে থাকা পানিতে (জলাশয়) রশি দিয়ে গলা ও পিছন দিকে (পিছমোড়া) দুহাত বাধা তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। রোববার (২২ মার্চ)  ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।   প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাটিকে রহস্যজনক ও পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে মনে করছেন। তার স্ত্রী ও দুটি নাবালক ছেলে সন্তান রয়েছে।
    তৈয়বের মরদেহের পাশে তার ব্যবসায়িক চারটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্যাগে ত্রিশ হাজার চার শতাধিক টাকা পাওয়া গেলেও বেশী টাকা রাখার ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মামুন উর রশিদ স্বপন জানান। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, ব্যবসায়ী তৈয়ব বাহাদুর হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের চিহৃিত করে গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ। #

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Resetowanie hasła Spinboss: Odzyskiwanie krok po kroku

    Spis treści1. Kiedy i dlaczego potrzebujesz resetu hasła?2. Proces resetowania hasła krok po kroku3. Wymagania dotyczące nowego hasła i...