More

    ঈদ শেষেও চাপ নেই বরিশাল নদীবন্দরে

    অবশ্যই পরুন

    ঈদ শেষ হয়েছে পাঁচ দিন হলো। অথচ বরিশাল নদীবন্দরে এখনো বাড়েনি কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের চাপ। বরং দিনদিন কমছে। এ কারণে কমানো হচ্ছে লঞ্চের সংখ্যাও। অথচ গত ঈদেও চিত্র ছিল কিছুটা ভিন্ন। তবে ভিন্ন চিত্র বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে। যেখানে যাত্রীদের চাপে দম ফেলার ফুরসত নেই পরিবহন শ্রমিকদের। প্রতি ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর পর ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক বাস।

    লঞ্চ মালিকদের দাবি— তুলনামূলক যাত্রী পাচ্ছেন না তারা। বিশেষ করে ডেকের যাত্রী কম। আর বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বাসের তুলনায় লঞ্চে যাত্রী পরিবহন হচ্ছে বেশি। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে সরেজমিনে বরিশাল নদীবন্দরে দেখা যায়, ঈদে বিশেষ সার্ভিস দিতে ছয়টি লঞ্চ টার্মিনালে বার্দিং করা রয়েছে। লঞ্চগুলোর কেবিন ব্লক ফাঁকা নেই। তবে নিচ থেকে দ্বিতল পর্যন্ত ডেকে যাত্রীদের চাপ নেই বললেই চলে।

    অনেকটা ফাঁকা অবস্থাতেই রাত সোয়া ৯টার পর লঞ্চগুলো একে একে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সুন্দরবন নেভিগেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আকতার হোসেন আকেজ বলেন, ‘বছরজুড়ে লোকসান দিয়ে আমরা লঞ্চ মালিকরা দুটি ঈদের অপেক্ষায় থাকি। গত ঈদের এই সময় কিছুটা হলেও যাত্রী ছিল। কিন্তু এবার ঈদের পাঁচ দিন কেটে গেছে, কিন্তু যাত্রী খরা ক্রমশ বাড়ছে।

    আগামী ২৭ মার্চ যাত্রী চাপ কিছুটা বাড়তে পারে। না হলে লোকসান গুনতে হবে লঞ্চ মালিকদের। বরিশাল নদীবন্দর নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন শেষে গত ২৩ মার্চ থেকে কর্মস্থলমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হয়। ওইদিন ৯টি লঞ্চ বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। তিনি বলেন, যাত্রী চাপ কম থাকায় ২৪ মার্চ ৬টি এবং বুধবার ২৫ মার্চ ভায়া একটিসহ মোট ৭টি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায়।

    এই কর্মকর্তা বলেন, ঈদের ছুটি শেষ হলেও ২৬ মার্চ এবং শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি রয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে ২৭ এবং ২৮ মার্চ সর্বোচ্চ যাত্রী বরিশাল ছাড়বে। বরিশাল-ঢাকা রুটে মোট ১৬টি লঞ্চ চলাচল করে। যাত্রীদের চাপ বেশি হলে বিশেষ সার্ভিসে লঞ্চের চাপও বাড়বে। বাসের তুলনায় লঞ্চের যাত্রী কম নয় দাবি করে বন্দর নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘একটি বাসে সর্বোচ্চ ৪০-৫০ জন যাত্রী ওঠে।

    অথচ একটি লঞ্চে একসঙ্গে দুই থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত যাত্রী থাকে। সে হিসেবে বাসের তুলনায় লঞ্চে যাত্রী কম নয়। তা ছাড়া ঈদ পরবর্তী এখন পর্যন্ত প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ হাজার করে যাত্রী লঞ্চযোগে বরিশাল ছেড়ে যান বলেন এই কর্মকর্তা।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Gagnez ce n�deux concernant les equipiers de casino un tantinet des francais

    Transmettez sans aucun sur l'action en aiguisant les tours recompense aussitot accompagnes de vos instrument pour au-dessous...