More

    বিসিসিতে জলাবদ্ধতা: কোটি টাকায় দূর হয়নি দুর্ভোগ

    অবশ্যই পরুন

    বরিশাল নগরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন, পরিচ্ছন্নতার পেছনে গত দুই বছরে কয়েক কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। তবে জলাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছে। ভারী বৃষ্টি হলেও ভুগছে নগরের মানুষ। এই পরিস্থিতিতে আরও প্রকল্প হাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

    অধিকারকর্মীরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় অতীতের প্রকল্পগুলোয় সফলতা আসেনি। ফলে নতুন প্রকল্প নেওয়া হলে তাতে সংকট কতটা নিরসন হবে; সেই শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। গত সপ্তাহে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে এই নগরের বেশির ভাগ স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়; এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় নগরবাসীকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে নগরের ৭টি খাল খনন করা হয়। খালগুলো হলো আমানতগঞ্জ, জেল খাল, রূপাতলী, পলাশপুর, সাগরদী, চাঁদমারী ও ভাটার খাল।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ওই কাজে ব্যয় হয় ৭ কোটি টাকা। অবশ্য ২ বছর না যেতেই আবারও ভরাট হয়ে যায় খালগুলো। বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) তথ্যমতে, গত বছর বিসিসির শ্রমিক দিয়ে নগরের গুরুত্বপূর্ণ খাল পরিষ্কার করিয়েছিলেন তৎকালীন প্রশাসক মো. রায়হান কাওছার।

    কিন্তু খাল খনন করতে গিয়ে বরিশাল নগরের অলিগলির ড্রেনেজ, নালার দিকে নজর না দেওয়ায় এবার বর্ষার শুরুতেই জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গত মঙ্গল ও বুধবার বরিশাল নগরের বগুড়া রোডের সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে, আমানতগঞ্জ, সদর রোড, মুন্সী গ্যারেজ এলাকা পানিতে থইথই করছিল। আর নগরের নবগ্রাম রোডের হাতেম আলী কলেজ ছাত্রবাস থেকে চৌমাথার আগ পর্যন্ত সড়কটি বরাবরই পানিতে ডুবে থাকে। নগরীর নিম্নাঞ্চল হিসেবে পরিচিত রসুলপুর, পলাশপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় দুই দিনের বৃষ্টিতে এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে।

    নবগ্রাম রোডের বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক বলেন, বৃষ্টি হলেই বটতলা থেকে চৌমাথা পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক তলিয়ে যায়। অটোরিকশাচালক আবদুর রহমান বলেন, রাস্তায় পানি জমলে ব্যাটারি ও মোটরে পানি ঢুকে রিকশা বিকল হয়ে যায়। বিসিসির হিসাব শাখার তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা খাতে বাজেট নির্ধারণ করা হয় ৬০ লাখ টাকা। এ ছাড়া নগর পরিচ্ছন্নতায় জরুরি বরাদ্দ বাবদ চলতি অর্থবছরে ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। করপোরেশনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, প্রতিবছর এ খাতে বাজেট হলেও তা অপর্যাপ্ত। বিসিসির পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, বাজেটে জলাবদ্ধতা রোধে নগরের ড্রেন, নালা, খাল পরিষ্কারে বরাদ্দ থাকে।

    পানি উন্নয়ন বোর্ড ৭ কোটি টাকায় ৭টি খালের কী উন্নয়ন করেছে, তা তারাই জানে। এসব প্রসঙ্গে বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, নগরের খালগুলো খননের স্থায়ী সমাধান না করলে জলাবদ্ধতার সমস্যা যাবে না। নগরের ২৯টি খাল খননের জন্য ৭৫৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প দেওয়া আছে। একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় ওই প্রকল্প।

    এটা পাস হলে জলাবদ্ধতা রোধ করা সম্ভব হবে। তবে বরিশাল সাধারণ নাগরিক সমাজের (বসানাস) আহ্বায়ক কাজী মিজানুর রহমান বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় নগরবাসীর জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। এর কারণ অপরিকল্পিত নগরায়ণ ও দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা। এ জন্য মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Znalezc siebie pochwalic imponujaca liczba wiecej 2stu stolow na gier prowadzonych przez zywych dealerow

    Na bok pokazywane bylo z bliska z przede wszystkim problemy gry, takie kontrole czy czy nie notatki Energy Casino technologia...