বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিশুকে বেড়ানোর কথা বলে নিয়ে গিয়ে ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে। বুধবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল।
শিশুর পরিবারের অভিযোগ, তাকে ১২ দিন আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। শিশুটির দিনমজুর বাবা বলেন, ২৬ এপ্রিল রাতে তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন গৌরনদী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
বুধবার তারা জানতে পারেন, শিশুটিকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার একটি গ্রামে রাখা হয়েছে। পরে পুলিশকে জানালে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়। পরিবারের অভিযোগ, পরিচিত এক নারী শিশুটিকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। পরে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে ৩৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। বর্তমানে সে অসুস্থ রয়েছে।
শিশুটি জানায়, বাড়ি ফিরে যেতে চাইলে ওই বক্তি (যার সঙ্গে কথিত বিয়ের কথা বলা হচ্ছে) তাকে বলে, দুই লাখ টাকার বিনিময়ে তাকে আনা হয়েছে। যে নারীর বিরুদ্ধে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ আনছে পরিবার, সেই নারী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ওই শিশুকে আমরা বিয়ে দেইনি। সে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছে। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।”
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
