More

    বসিকের সড়ক নির্মাণ: ভালো রাস্তায় চলছে কার্পেটিং, বাড়ছে সাধারণ মানুষের দীর্ঘশ্বাস

    অবশ্যই পরুন

    আরিফ আহমেদ, বিশেষ প্রতিবেদক : বরিশালের আমানতগঞ্জ সড়ক, বরিশাল ক্লাব ও রাজা বাহাদুর সড়কে চলছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বসিক) এর সড়ক উন্নয়ন কাজ। উন্নয়ন মানেই হচ্ছে কার্পেটিং এর কাজ। এই সড়কগুলো মাত্র তিনমাস আগে বিভাগীয় কমিশনার ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক রায়হান কাওছার এর সময়ে সংস্কার ও কার্পেটিং করা হয়েছে। সেই সড়কেই চলছে পুননির্মাণ বা কার্পেটিং।

    জানা গেছে, বসিক প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাকে ঘীরে আছে একদল দূর্নীতিবাজ নেতাকর্মী ও কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে রয়েছে অতীতের স্বীকৃত কিছু দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাও। তারা এরই মধ্যে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কারণে পুনরায় এই সড়কগুলো কার্পেটিং করার জন্য তদবির দিয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রাজা বাহাদুর সড়কের একটি স্থানে কিছুটা খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছিল।

    যা সংস্কার করাই যথেষ্ট ছিলো বলে মনে করেন নগরবাসী। একাধিক নগরবাসীর অভিযোগ, নগরীর বাংলা বাজার সড়কের অনেকাংশে খানাখন্দের কারণে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে থেকে নুরিয়া স্কুল পর্যন্ত এই খানাখন্দ। এ নিয়ে বসিক কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগও দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ১৩ নং ওয়ার্ডের আমতলা মোড়ের খান সড়ক এবং নির্মাণাধীন দুদক ভবনের পাশে সিকদার পাড়া সড়কের জন্য একাধিকবার আবেদন করা হলেও বসিক কর্তৃপক্ষ বলেছেন, বরাদ্দ নেই, বরাদ্দ আসলে করে দেওয়া হবে।

    অথচ ভালো সড়কে চলছে সংস্কার ও কার্পেটিং, যা দেখে নগরবাসীর জানতে চান, বরাদ্দ যেখানে নেই, সেখানে ভালো সড়কের উপর কার্পেটিং করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এটা কি অপচয় নয়? এ টাকায় কি ছোটখাটো সড়কের ইটা বিছানো কাজ হয়ে যেতোনা?

    বসিক প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নগর ভবনের উন্নয়ন কাজ নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তার অনুপস্থিতিতে অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ চলছে বরিশালের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে। এসব কাজ তিনমাসও টেকসই হবেনা বলে মন্তব্য করেছেন সড়কের কাজে অভিজ্ঞ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো। তারা বলেন, এসব কাজ হচ্ছে হট প্লান্ট ফরমেটে। অথচ সড়কের কাজ টেকসই করতে বেইস প্লান্ট এর বিকল্প নেই। আর বেইস প্লান্ট অনেক ব্যয়বহুল। গজামিল দিয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের খুশি করতেই আসলে এসব কাজ দেওয়া হয়। প্রথম বৃষ্টিতেই এই কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হবার আশংকা রয়েছে বলে দাবী তাদের।

    এদিকে অতি জরুরী সড়কের কাজ না ধরে এজাতীয় অপচয়ে ক্ষুব্ধ নগরবাসী নগরীর শীতলখোলা সড়কের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। কেননা হাতেনাতে খুঁজে পেয়েছেন দূর্নীতি। ভেজাল ইট, বালু ও নিম্নমানের খোয়া আনা হয়েছে এই সড়কের কাজেও।

    যে কারনে নগরীর সড়কের ভাঁজে ভাঁজে এখন সাধারণ মানুষের দীর্ঘশ্বাস ঝরছে বলে অভিযোগ নগরবাসীর।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    পটুয়াখালীতে আরও দুই কৃষকদল নেতা বহিষ্কার

    পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল। মঙ্গলবার...