More

    ঝালকাঠিতে সরকারি মালামাল লুটের অভিযোগ: প্রকৌশলীর দপ্তরেই সাংবাদিক ও জনতাকে ‘দেখে নেয়ার’ হুমকি

    অবশ্যই পরুন

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি,মেহেদী হাসান: ​ঝালকাঠিতে সরকারি আয়রন ব্রিজের মালামাল লুটের ঘটনায় অভিযুক্তদের দাপট থামছেই না। এবার খোদ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে বসে সাংবাদিক ও স্থানীয় জনতাকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্রী টুঙ্কুর মন্ডল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং নিজেদের প্রাণনাশের আশঙ্কা করছেন।

    গত ৪ মে রণজিৎ হালদার নামের এক ব্যক্তিকে সরকারি আয়রন ব্রিজের লোহার বিম কেটে টুকরো করে বিক্রির সময় হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় জনতা। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সম্পদ পাচারের সাথে জড়িত। ঘটনার সময় অভিযুক্তের আত্মীয় ও সরকারি প্রকৌশলী শ্রী সমীরণ (বাপ্পি) মন্ডলের পরিবার ঘটনাস্থলে এসে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেন।

    তারা জানান, মালামাল কোথায় যাবে বা কী হবে তা সমীরণ মন্ডলই দেখবেন, সাধারণ মানুষের এতে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। আজ সোমবার (১১ মে) জব্দকৃত আলামত হিসেবে দুই পিস লোহার বিম উপজেলা পরিষদে জমা দিতে যান স্থানীয়রা। সেখানে উপস্থিত থাকা শ্রী টুঙ্কুর মন্ডল উপজেলা প্রকৌশলীর সামনেই এয়া নিউজ বিডি-র জেলা প্রতিনিধি মো. ইমরান মুন্সি এবং জনতার পক্ষে থাকা শিশির চন্দ্র হালদারকে লক্ষ্য করে মারমুখী আচরণ করেন।

    ​টুঙ্কুর মন্ডল উচ্চস্বরে হুমকি দিয়ে বলেন: ​”কত বড় খেড়ু (সাহসী) হয়েছিস তোরা, তা দেখে নেওয়া হবে। ভাণ্ডারিয়া নিয়ে তোদের দেখিয়ে দেব।” এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর নিকট বরিশাল ডট নিউজের প্রতিনিধি মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “আমার অফিসে বসে তর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটি জনসাধারণের অফিস বিধায় কিছু বলি নি।”

    সরকারি কার্যালয়ের ভেতরে একজন কর্মকর্তার সামনে এমন হুমকির ঘটনায় প্রকৌশলীর উদাসীন ভূমিকা নিয়ে উপস্থিত মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকাশ্যে এমন হুমকির পর থেকে সাংবাদিক মো. ইমরান মুন্সি ও স্থানীয় শিশির চন্দ্র হালদারসহ সংশ্লিষ্টরা চরম আতঙ্কিত। ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা থাকায় তারা যেকোনো সময় বড় ধরনের হামলা বা প্রাণনাশের ঘটনা ঘটাতে পারে।

    ​তারা বলেন, “সরকারি সম্পদ চুরির প্রতিবাদ করায় এখন আমাদের জীবন হুমকির মুখে। আমরা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জানমালের নিরাপত্তা ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।” ​সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে বসে অপরাধীরা যদি এভাবে দম্ভোক্তি করার সুযোগ পায়, তবে ভবিষ্যতে সরকারি সম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকরা চরম ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    And you may being aware what you may anticipate from all of these the fresh online casinos is important

    Improved Support service. Does it count? Best, yeah. Hold off right until your come across an installment reputation. Must...