পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে বরিশালের গৌরনদীতে প্রায় ৬ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। অন্যান্য বছরের মতো এ বছরেও দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে ঘাস-খড়ের পাশাপাশি খৈল, ছোলা ও ভূষি খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছেন খামারিরা। ঈদে দেশীয় গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় খামারের পাশাপাশি গরু মোটাতাজা করেছেন উপজেলার অনেক কৃষক।
কঠোর লকডাউনে এসব গবাদিপশু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরেছে খামারিরা। অনেক খামারি পশু অনলাইনে বিক্রির জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি করেছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারী সার্জন ডাঃ মাছুম বিল্লাহ জানান, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নে প্রায় ১ হাজার ৫০০ গবাদিপশুর খামার ছিল। করোনার প্রভাবে গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের কারণে ইতোমধ্যে অনেক খামার বন্ধ করে দিয়েছেন খামারিরা। সচল থাকা ছোট বড় ১ হাজার ২০০ খামারে ৩ হাজার ৫৮৯ টি গরু, ২ হাজার ১৯৭ টি ছাগল এবং ৪২৩ টি ভেড়া মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। তবে গত কয়েক বছর ভারত থেকে গরু বাজারে না আসায় দেশি গরুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। খামারি সবুজ হাওলাদার বলেন, চলতি বছর করোনার প্রভাবে কঠোর লকডাউনে এসব গবাদিপশু বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরেছি। কোনো কারণে আমার খামারের ৫০টি গরু বিক্রি করতে না পারলে আমি পথে বসে যাব। এ কথা শুধু সবুজের একা নয় গৌরনদীর অধিকাংশ খামারিরা জানান, সহায় সম্বল হারিয়ে প্রস্তুত করা পশু বিক্রি নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
