More

    টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

    অবশ্যই পরুন

     টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয়টিতে আজ শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ । মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হচ্ছে বিকেল ৪টায়।

    এদিকে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সফরকারী নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের ছন্দ ধরে রাখতে চায় মাহমুদউল্লাহ বাহিনী। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচ হেরে ব্যাকফুটে থাকা টম লাথামের দলও সিরিজে সমতায় ফিরতে চায়।

    ঘরের মাঠে টানা দুই ম্যাচে অপরাজিত বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে হারলেও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল সিরিজ জিতেছিল ৪-১ ব্যবধানে। নিউজিল্যান্ড সিরিজেও সেই ছন্দ ধরে রাখতে মরিয়া টিম টাইগার্স।

    মাঝে মাত্র একদিন বিরতি থাকায় বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্রামেই ছিল দু’দদু’দল প্রথম ম্যাচে ৭ উইকেটের দাপুটে জয়ের পর আভাস মিলেছে অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে মাঠে নামার। এ ম্যাচেও দেখা মিলতে পারে স্পিনিং উইকেটের।

    তবে বোলাররা প্রত্যাশা মেটাতে পারলেও ওপেনিং জুটি আবারও ব্যর্থ। আর তাই দ্বিতীয় ম্যাচে নাঈম ও লিটনের কাছে দারুণ শুরুর আশা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর। অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টিতে সর্বনিম্ন স্কোরে অলআউটের পর অস্বস্তিতে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। দ্বিতীয় ম্যাচে চিত্রনাট্য বদলাতে মরিয়া তারাও।

    মাইটি অস্ট্রেলিয়ার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ঘরের মাঠে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে বাংলার দামাল ছেলেরা। কিউইদের বিপক্ষে এর আগে ক্রিকেটের অন্যসব ফরম্যাটে জয় পেলেও টি-টোয়েন্টিতে জয়খরা কাটছিল না। এবার আরাধ্য সেই জয়ের স্বাদ পেয়েছে টিম টাইগার্স।

    বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬০ রানে গুটিয়ে যায় টম লাথামের দল। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ২ উইকেট হারিয়ে হোঁচট খেলেও লক্ষ্যচ্যুত হয়নি টাইগার বাহিনী। মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে ভর করে ৩০ বল বাকি থাকতেই ৭ উইকেটের বিশাল জয় তুলে নেয় টিম টাইগার্স। আর এর মধ্য দিয়ে পাঁচ ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল মাহমুদউল্লাহর দল।

    প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দুর্দান্ত এ জয়ের পর বাংলাদেশ কাপ্তান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, ‘এটা অন্যরকম এক অনুভূতি। এর আগে তাদের বিপক্ষে কয়েকটি ম্যাচে আমরা হেরেছি। এবার আমরা জয় পেয়েছি, আমাদের টার্গেট এখন এই জয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।’

    তবে মিরপুরের উইকেট নিয়ে সমালোচনা থামছেই না। বিশ্বকাপের আগে এমন স্লো উইকেটে খেলায়, ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশের ক্রিকেটের। জয়ের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গিয়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে ফেক কনফিডেন্স। যার ফলে ওমান-দুবাইয়ে বাড়তি চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে টাইগারদের। মন্তব্য সাবেক ক্রিকেটার এবং কোচের।

    তাদের মতে, স্পোর্টিং উইকেট না হলেও অন্তত ব্যাটিংবান্ধব পরিবেশে প্রস্তুতি না হলে বিশ্বকাপে ভুগতে হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।

    বিকেএসপির ক্রিকেট উপদেষ্টা নাজমুল আবেদীন ফাহিম জানান, ‌’এর চেয়ে ভালো উইকেট মিরপুরে বানানো সম্ভব। সামনের ম্যাচগুলোতে কিছুটা ব্যাটিংবান্ধব উইকেট আশা করব। তা না হলে, আমাদের প্রস্তুতির ঘাটতি থেকেই যাবে।‌

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Winbay Casino: Gioco Mobile Veloce per Vincite Rapide

    In movimento, la maggior parte dei giocatori desidera un'emozione istantanea senza l'impegno a lungo termine che comporta il gaming...