More

    কীর্তনখোলা নদীতে ট্যাংকারে বিস্ফোরন, নিহত ২

    অবশ্যই পরুন

    ডেস্ক রিপোর্ট : কীর্তনখোলা নদীতে একটি অয়েল ট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরন হয়েছে।  বরিশাল নগরী সংলগ্ন ওই নদীতে “এমটি এবাদী- ১” নামক তেলের ট্যাংকারে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। নিঁখোজ রয়েছেন আরও একজন। নিহতরা হলেন- ট্যাংকারের কর্মচারী বাবুল কান্তি দাস (৬৪) ও স্বাধীন (২২)। নিখোজ কর্মচারী হলেন- আবুল কাশেম (৪৫)। বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

    বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক সংলগ্ন কীর্তণখোলার অপরপ্রান্তে ট্যাংকারে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। মেঘনা ডিপোর জন্য চট্টগ্রাম থেকে জ্বালানী তেল নিয়ে আসা ‘এমটি এবাদী’ জাহাজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশালে পৌছে। তেল খালাসের অপেক্ষায় ট্যাংকারটি নদীর পূর্বপ্রান্তে (নগরীর অপরপ্রান্ত) নোঙ্গর করা ছিল।

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বরিশালের উপ পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, আনুমানিক বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ট্যাংকারের ইঞ্জিন রুমে বিকট শব্দ হয়ে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল পৌনে ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নেভানের কাজ শুরু করে। আগুন ইঞ্জিন রুমের বাইরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই তারা নেভাতে সক্ষম হন।

    উপ পরিচালক বলেন, ট্যাকারটি বিপুল পরিমান পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল মজুদ ছিল। মজুদস্থলে আগুন পৌছার আগেই নিভিয়ে ফেলাতে সক্ষম হওয়ায় আরও বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে। নিহত দুজনের মৃতদেহ ইঞ্জিন রুম থেকে উদ্ধার করা হয়। নিঁখোজ ব্যাক্তিও ইঞ্জিন রয়েছে বলে ধারনা করছেন জানিয়ে উপ পরিচালক সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বলেন, ইঞ্জিন রুম প্রচন্ড গরম হয়ে যাওয়ায় উদ্ধার কাজ স্থগিত রাখা হয়েছে। ঠান্ডা হওয়ার পর পূনরায় উদ্ধার কাজ শুরু করবেন।

    সংশ্লিষ্ট সুত্রগুলো জানিয়েছে, ট্যাংকারটিতে মোট ১৬ জন কর্মচারী ছিল। হতহতরা সকলে ইঞ্জিন রুমে ছিলেন। গুরুতর আহত চালক কুতুব উদ্দিন (৫০) ও রুবেল ((৪০), গ্রীজার কামাল পাশাকে (৫৪) বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

     

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Zwischen Einfachheit und Verzicht: Wettanbieter ohne Oasis im Alltagstest

    Wettanbieter ohne Oasis: Ein Blick auf einfache Wettplattformen im Praxistest Warum entscheiden sich Spieler für Wettanbieter ohne Oasis? Es gibt inzwischen...