More

    আরও ৩ পণ্য পেল জিআই অনুমোদন

    অবশ্যই পরুন

    বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে অনুমোদন পেল আরও ৩ পণ্য। নতুন তিনটি পণ্য হচ্ছে- রাজশাহীর মিষ্টি পান, যশোরের খেজুরের গুড় এবং জামালপুরের নকশিকাঁথা। এতে দেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা বেড়ে ৩১ হলো।

    বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের।

    এতে বলা হয়েছে, আরও ৩টি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১টি।

    সবশেষ গত সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম, মৌলভীবাজারের আগর আতর ও মুক্তাগাছার মন্ডাকে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এর একদিন আগে টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার জিআই অনুমোদনের কপি ও জার্নাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

    ২০১৬ সালে জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরও ২০টি পণ্য।

    পণ্যগুলো হলো- বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুর কাটারিভোগ, বাংলাদেশের কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই ও কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

    আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) নিয়ম মেনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডিপিডিটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ দিয়ে থাকে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Per prelevare, e opportuno aver avvallato l’account e aver effettuato certain base minuscolo di 10�

    L'operatore fornisce informazioni dettagliate sui limiti minimi e massimi di tenuta, sia che tipo di sulle eventuali commissioni applicabili....