More

    বরিশালে চাকরির প্রলোভনে ‘অনৈতিক কাজে বাধ্য’, ৭ জনকে জরিমানা

    অবশ্যই পরুন

    বরিশালে চাকরির প্রলোভনে দুই তরুণীকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার মামলায় এক আবাসিক হোটেলে মালিকসহ সাতজনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

    সোমবার বরিশালের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মঞ্জুরুল হোসেন আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী তুহিন মোল্লা।

    দণ্ডিতরা হলেন- নগরীর দক্ষিণ চকবাজার এলাকার আবাসিক হোটেল পায়েলের মালিক মনির হোসেন, হোটেল কর্মচারী বাকেরগঞ্জ উপজেলার দেউলি গ্রামের সেলিম চৌকিদার, একই উপজেলার দত্তরাবাদ গ্রামের আনোয়ার হোসেন, একই উপজেলার পশ্চিম দাড়িয়াল গ্রামের ছেলে মন্টু হাওলাদার, নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের বাসিন্দা মিন্টু গাজী, নগরীর বাঘিয়া এলাকার বাসিন্দা কবির হোসেন এবং বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গীবাড়িয়া গ্রামের বাদশা বেপারী।

    মামলার বরাতে বেঞ্চ সহকারী তুহিন মোল্লা জানান, ২০২০ সালের ২ অগাস্ট চাকরির প্রলোভনে দুই তরুণীকে নগরীর এক আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ পায় গোয়েন্দা পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে ওই হোটেলের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে পুলিশ।

    সেই সময় পায়েল হোটেলের কর্মচারী সেলিম, আনোয়ার হোসেন ও মিন্টু গাজীকে আটক করা হয় বলে জানান তিনি।

    এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশের এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক তিনজনসহ হোটেলের আরও চারজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

    ওই বছরের ১৬ জুন গোয়েন্দা পুলিশের এসআই দেলোয়ার সাতজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন বলে জানান বেঞ্চ সহকারী তুহিন।

    পাঁচজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়; যা অনাদায়ে তাদের তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

    পরে দণ্ডিতরা জরিমানার অর্থ জমা দিয়ে মুক্ত হয়েছেন বলে জানান বেঞ্চ সহকারী।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Vox Casino Rzeczy, Których Marketing Nie Wspomina

    Spis treściProces Rejestracji i Weryfikacji KontoWarunki Bonusów i Obrotu (Wagering)Metody Płatności i Czas WypłatOgraniczenia i Ukryte ZasadyWnioski i Czy...