More

    শেবাচিম হাসপাতালের সামনে ফের উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

    অবশ্যই পরুন

    স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের দাবিতে গত ২১দিনের ন্যায় চলমান আন্দোলন কর্মসূচিকে ঘিরে রোববার (১৭ আগস্ট) বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে আবারো উত্তেজনা ছড়িয়ে পরেছে। বিকেল তিনটার দিকে আন্দোলনকারীদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে হাসপাতালের কর্মচারীরা। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়।

    পরে উভয়গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে পূর্বে থেকে হাসপাতাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকায় বড়ধরনের সংঘাতের ঘটনা ঘটেছি। পরে বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা জেলা প্রশাসনের কার্যালয় ঘেরাও করতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে গেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হাসপাতালে মধ্যে প্রবেশ করতে চাইলে হাসপাতালের প্রধান গেট আটকে দেয় পুলিশ।

    পরবর্তীতে হাসপাতালের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল অব্যাহত রাখে আন্দোলনকারীরা। এসময় হাসপাতালের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়। পরবর্তীতে হাসপাতালের অভ্যন্তর থেকে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। এরপরই সেখানে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। তবে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

    এরপূর্বে শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক সংবাদ সম্মেলন করে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনের সমন্ময়ক মহিউদ্দীন রনি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন। পাশাপাশি আন্দোলনের ১৮তম দিনে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর শেবামেকের কর্মচারীদের হামলার প্রতিবাদে ও বিচার দাবি করে ২১তম দিনের (১৭ আগস্ট) কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

    রোববার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে নগরীর অশ্বিনী কুমার টাউন হলের সামনে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা একত্রিত হয়। পরবর্তীতে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা শেবামেকের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। সূত্রমতে, বিক্ষোভ মিছিলের খবর পেয়ে শেবামেকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হাসপাতালের অভ্যন্তরে অবস্থান নেয়। এসময় সেখানে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দেওয়া আগে থেকেই হাসপাতাল গেটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তারা সংঘাত এড়াতে শেবামেকের প্রধান গেট বন্ধ করে দেয়।

    যেকারণে আন্দোলনকারীরা হাসপাতালের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারেননি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আন্দোলনরতরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করতে গেছেন। তারা দালাল ও সিন্ডিকেট বিরোধী নানা শ্লোগানে মুখর করে রেখেছেন।

    একইসাথে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দালাল সিন্ডিকেটের হামলার পর উল্টো মামলা দায়েরের প্রতিবাদ করে অনতিবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Nalezy ale pamietac, ty na pewno motywacja bez depozytu, poniewaz kazda oferta promocyjna, pochodza z swoje warunki i mozesz ograniczenia

    Dla prawie wszystkich hazardzistow, bonusy bez depozytu jest wlasciwie atrakcyjnym sposobem z rozwazyc, jesli kasyno online pasuje twoje kryterium,...