More

    ইউটিউব দেখে মাচায় তরমুজ চাষে সাফল্য

    অবশ্যই পরুন

    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে চন্দনা গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম অসময়ের কালো তরমুজ চাষ করে নজর কেড়েছেন। ভোরের হালকা আলো ফোটার আগেই জমিতে পৌঁছে যায় তার উদ্যমী পদচারণা। সাধারণ ধান বা সবজি চাষের বদলে এবার তিনি বেছে নিয়েছেন এক ভিন্ন পথে- অসময়ের কালো তরমুজ চাষ। সরেজমিনে দেখা যায়, শরিফুলের মাঠ জুড়ে ঝুলছে থোকা থোকা কালো তরমুজ।

    আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে আড়াই বিঘা জমিতে চাষ করা এই কালো জাতের তরমুজ অসময়ের ফসল হওয়ায় তা বাজারে খুবই চাহিদাসম্পন্ন। গাঢ় সবুজ পাতার আড়ালে উঁকি দিচ্ছে প্রতিটি তরমুজ। এ যেন কৃষকের নতুন স্বপ্নের প্রতীক। মাঠে হাঁটতে হাঁটতে প্রতিটি তরমুজের পাশে দাঁড়িয়ে তার কঠোর পরিশ্রম ও আশা ফুটে উঠছে চোখে মুখে।

    শরিফুল ইসলাম বলেন, সাত বছর আগে ইউটিউব দেখে আমি কালো তরমুজ চাষে আগ্রহী হই। প্রথমে ভেবেছিলাম এত খরচ করে লাভ করা কঠিন হবে। কিন্তু কৃষি অফিসারদের পরামর্শে সাহস পেলাম। তারা নিয়মিত মাঠে এসে নির্দেশনা দিয়েছেন। এখন জমিতে ফল আসতে শুরু করেছে। এবছর তিন বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। ইতোমধ্যে ১ বিঘা জমি থেকে ৯০ মণ তরমুজ বিক্রি করেছি ৪০–৫০ টাকা কেজি দরে। আশা করছি, প্রতিবিঘা জমি থেকে খরচ বাদে দুই থেকে তিন লাখ টাকা লাভ হবে।

    আমাদের মতো গ্রামের কৃষকদের জন্য এটা বড় আশা। চন্দনা গ্রামের আরও কয়েকজন কৃষক জানান, শরিফুল ইসলামের সাফল্য দেখে তারা অনুপ্রাণিত হয়ে তরমুজ চাষে এগোতে চাইছেন। নাচোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সলেহ্ আকরাম বলেন, অসময়ের তরমুজ চাষ একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। সাধারণত গ্রীষ্মকালের ফসল হলেও আধুনিক মালচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে শীতকালেও উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

    এতে ফলনের মান বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং রোগবালাই কমছে। আরডিএডিপি প্রকল্পের আওতায় আমরা কৃষকদের এই প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করছি। শরিফুল ইসলামের ক্ষেতটি এ অঞ্চলের জন্য একটি মডেল হতে পারে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    There is a massive amount of respected banking possibilities at this real cash internet casino

    Furthermore, https://mgmgrandcasino.uk.net/ users will have entry to many reload incentives and you can an incredible VIP program which provides...