More

    মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নাতি-নাতনিদের আবেদন বাতিলের নির্দেশ

    অবশ্যই পরুন

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন নিয়ে সতর্কতা দিয়েছে আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। বোর্ড জানিয়েছে, এ কোটায় কেবল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী নাতি-নাতনি পরিচয়ে এই কোটায় আবেদন বা নিশ্চায়ন করেছে। ফলে তাদের আবেদন বাতিল করে ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন করে আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    অন্যথায় ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হলে বোর্ড কোনো দায় নেবে না বলেও সতর্ক করা। রবিবার (৩১ আগস্ট) আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবিরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা-২০২৫’ এর উপধারা ৩ দশমিক ২ অনুযায়ী ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কেবল মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরাই আবেদন করতে পারবেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ কোটায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি সময় সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা সরকারি গেজেটের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি মূল কপিও দেখাতে হবে। সঠিক প্রমাণক জমা দিতে ব্যর্থ হলে ওই শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রম বাতিল করা হবে। এছাড়া অনেক শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন করলেও তাদের মধ্যে কেউ কেউ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনি।

    নীতিমালা অনুযায়ী, তাদের এই কোটায় ভর্তির সুযোগ নেই। তাই যেসব শিক্ষার্থী ভুলক্রমে এ কোটায় আবেদন বা নিশ্চায়ন করেছেন, তাদের সোমবারের (১ সেপ্টেম্বর) মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে গিয়ে আবেদন বা নিশ্চায়ন বাতিল করে পুনরায় আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সংশোধন না করলে পরে ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হতে পারে।

    এজন্য বোর্ড কোনোভাবেই দায়ী থাকবে না। এর আগে, গত ২৪ জুলাই বাংলাদেশের সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। নীতিমালায় জানানো হয়, সরকারি ও বেসরকারি কলেজে মোট আসনের ৯৩ শতাংশ থাকবে সকল শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত।

    বাকি ৭ শতাংশের মধ্যে ৫ শতাংশ বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য, ১ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য এবং ১ শতাংশ অধীন দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে সংরক্ষিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সেসব আসনে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Unser vereinbart, warum Sie im Schopfungsgeschichte Spielcasino der atemberaubend vielseitiges und jedoch hochwertiges Portfolio typischerweise

    Aus welchem grund genau selbige Spiele wirklich so gut kommen, unser durfte umherwandern auf verstandigen auf Testrunden fur sich...