More

    শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

    অবশ্যই পরুন

    বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু হানিফ মুন্সীর বিরুদ্ধে উজিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি/সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ইউপি সদস্য দিদারুল ইসলাম, মোঃ বাচ্চু সরদার, মোঃ ইউসুফ হাওলাদার, মোঃ জাকির মাহমুদ, মোঃ হানিফ হাওলাদার, মোঃ ইকবাল মজুমদার, মোঃ আশ্রাব আলী রাড়ী, নুপুর আক্তার, শিউলি বেগম ও রিতা দাস।

    অভিযোগ সুত্রে জানা যায়- উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবু হানিফ মুন্সী যোগদানের পর থেকে সরকারি আইনকে তোয়াক্কা না করে নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেননা। তিনি সপ্তাহে ২/৩ দিন পৌঁছলেও দুই-তিন ঘন্টা অফিসের কাজ করে নিজের খেয়াল খুসিমতো অফিসের নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়িতে চলে যায়। যাতে করে সেবা বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব আয় ট্যাক্স আদায়,ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু,ওয়ারিশ সনদ ইস্যু,গ্রাম আদালতের মামলার ফিসের আয় থেকে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

    যার কোন হিসাব নিকাশ এ পর্যন্ত দেয়নি। ইউনিয়ন পরিষদের সকল সরকারি বরাদ্দ গোপন রেখে সে একক সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। গত জুলাই মাসে ভিজিডি চাল বিতরণে শতাধিক কার্ডধারীর কাছ থেকে ২শত করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তিনি যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে কোন সভা,রেজুলেশন করেননি। ভিডাব্লিউবি,মৎস্য ভিজিএফ,ঈদুল ফিতর,ঈদুল আযহার ভিজিএফ এর চাল,জিআর চালের তালিকা প্রস্তুত, উত্তোলন ও বিতরণ ইউনিয়ন পরিষদের কোন সদস্যদের অবগত করেননা।

    অপরদিকে বয়স্ক ভাতা,বিধবা ভাতা,প্রতিবন্ধী ভাতা, মা ও শিশু সহায়তা ভাতা এবং ভিডাব্লিউবি, টিসিবির কার্ড দেয়ার কথা বলে একাধিক ভোক্তাদের কাছ থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কোন ভাতার বরাদ্দ আসলে তিনি ইউপি সদস্যদেরকে অবহিত করেননা বা কোন সভা করে সিদ্ধান্ত নেননা। প্রতিটি জন্ম নিবন্ধনে ৩-৫শত টাকা আদায় করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়।

    এমনকি সকল ইউপি সদস্যদের সাথে কর্কশ ভাষায় কথা বলার কারণে স্বাচ্ছন্দ্যে ইউনিয়ন পরিষদের কাজ করতে পারছেনা ইউপি সদস্যরা। এতে করে জনসাধারনকে চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়। এককথায় ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের কাছে টাকা ছাড়া মিলছে না সেবা। অভিযুক্ত বিষয়টি এড়িয়ে যান।

    এদিকে দূর্ণীতিবাজ শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবু হানিফ মুন্সীকে অচিরেই অপসারণ ও বিচারের দাবি জানিয়ে সকল ইউপি সদস্যসহ ইউনিয়নবাসী প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী সুজা জানান- তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Beef Tennis Markets Explained

    InhaltGrundlegende Tennis-Wettmärkte: Matchwinner und SetzenSpezialisierte Märkte: Total Games und Correct ScoreLive-Wetten und AuszahlungsgeschwindigkeitPraktische Tipps für den EinstiegHäufige Fehler und...