More

    গলাচিপার ডাকুয়া ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ

    অবশ্যই পরুন

    স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায়ের বিরুদ্ধে মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাতৃত্বকালীন ভাতার উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় প্রত্যেক আবেদনকারীর কাছ থেকে ১-৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করে নেওয়া হয়েছে।

    এই ঘটনায় ইউনিয়নজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হানিফ গাজি এক রিকশাচালকের কাছ থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৫ হাজার টাকা নিয়েছেন।

    ভুক্তভোগী মিঠু নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্ত্রীর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শাহ আলম মৃধা আমার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন।” এ বিষয়ে ডাকুয়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা আলাউদ্দিন গাজী বলেন, “চেয়ারম্যানের নির্দেশেই আবেদনকারীদের কাছ থেকে এক হাজার টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

    মেম্বাররাও এ বিষয়ে অবগত ছিলেন। কাগজপত্র তৈরি ও প্রক্রিয়া সম্পন্নের খরচ হিসেবেই এই টাকা নেওয়া হয়েছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, “গলাচিপা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে প্রতি মাসে নামের তালিকা পাঠাতে ২-৩ হাজার টাকা খরচ হয়।”

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ রায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭১০২৮৭২০৭ বন্ধ পাওয়া যায়। অন্য নম্বর ০১৭৫৭৪৪২৭২২-এ কল দিলেও তিনি ফোন ধরেননি। উল্লেখ্য, মাতৃত্বকালীন ভাতা কর্মসূচি সরকারের একটি সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ, যা দরিদ্র ও অসহায় গর্ভবতী নারীদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে।

    তবে এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ উঠায় সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    River Dragons Dip Into our 2026 Slots Online Pokies site Game Review

    Five reels and three rows make up the layout of the slot, with bets of up to $500 per...