পটুয়াখালীর বাউফলে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৯) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বৃদ্ধের নাম লালু শাহ। তিনি নাজিরপুর ইউনিয়নের ধানদী গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
স্বজনরা জানায়, ভুক্তভোগী শিশুটি সম্পর্কে অভিযুক্ত লালু শাহের নাতনি। পড়াশোনার জন্য মায়ের সঙ্গে ধানদী গ্রামের নানা বাড়িতেই থাকে। শিশুর মা জানান, তার মেয়ে বিকালে খেলতে গেলে অভিযুক্ত লালু শাহ ভুল বুঝিয়ে নির্জন বসতঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তার মেয়ের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন টের পায় ও বিষয়টি জানাজানি হয়।
পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. শাহরিয়ার আল কাইয়ুম বলেন, প্রাথমিক পরীক্ষার পর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই আমরা বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছি। ভুক্তভোগী শিশুকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত লালু শাহ পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
