More

    অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার দখলে বাকেরগঞ্জ পৌরসহ শহর

    অবশ্যই পরুন

    বরিশালের বাকেরগঞ্জে অনুমোদনহীন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বেড়ে যাওয়ায় পৌর শহরে যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রথমদিকে এই যানগুলো মানুষের যাতায়াত সহজ এবং অনেকের কর্মসংস্থান তৈরি করলেও বর্তমানে তা শহরের শৃঙ্খলার জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে যানজট ও বিদ্যুতের উপর চাপ বেড়েছে। পাশাপাশি সড়কের দুর্ঘটনা বেড়েছে বিগত সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।

    পৌর শহরের প্রধান সড়ক সহ অলিগলিতে দাবড়ে বেড়াচ্ছে কাগজে কলমে নিষিদ্ধ এই তিন চাকার বাহন ব্যাটারিচালিত রিকশা। এখন শুধু অলিগলি নয়, মহাসড়ক রাজত্ব চালাচ্ছে এই রিকশা।

    সরেজমিনে দেখা যায়, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় কোন বাসস্ট্যান্ড বা অটো রিক্সার স্ট্যান্ড না থাকায় মহাসড়ক থেকে শুরু করে পৌর এলাকার প্রদান সড়কের উপরেই ব্যাটারিচালিত রিকশার স্ট্যান্ড বানিয়ে রেখেছে। যে কারণে পৌর শহরের প্রবেশ দ্বার সদর রোড এলাকায় যানজট লেগেই থাকে। দ্রুতগ্রামী এ বাহনটি হুটহাট ডানে-বাঁয়ে মোড় নেওয়ার ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকায় থাকা পুলিশ সদস্যরা কখনো সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলেই তাঁদের ওপর চড়াও হচ্ছেন চালকরা।

    পৌর এলাকা সহ এই উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে ১০ ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার অটোরিক্সা প্রতিদিন এই পৌর শহরে আসা-যাওয়া করে। এর মধ্যে কয়েক হাজার চালক রয়েছে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশু ড্রাইভার।

    এদের অদক্ষ চালনায় প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইমার্জেন্সি, বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ও অর্থপেডিক ওয়ার্ড ঘুরতে হচ্ছে যাত্রিদের।

    অনেক পরিবারের কর্তা পঙ্গু হয়ে ঘরে বসে আছে। সেইসব পরিবারের অসহায় শিশু-কিশোররা জীবিকার তাগিদে রাস্তায় নামতে বাধ্য হচ্ছে। অনেকে দুর্ঘটনার স্বীকার হয়ে জীবন হারিয়েছেন।

    বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, এগুলো অবৈধ যান হওয়ায় এর বিরুদ্ধে অভিযানও চালানো যাচ্ছে না। এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণীর প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় এরা ফুলে ফেঁপে উঠেছে।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে জানানো হয়েছে, বাকেরগঞ্জ উপজেলার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশ প্রতিদিন ব্যাটারিচালিত রিকশার চালকদের থেকে জরিমানা আদায় করছে। কিন্তু কাজ হচ্ছে না।

    অনুসন্ধানে জানাজায়, উপজেলার পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার নির্জন স্থানে তৈরি হচ্ছে এই অবৈধ আটোরিক্সা। আর সরকার নিষিদ্ধ অবৈধ রিক্সার তৈরি নেতৃত্বে রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা।

    প্রশাসনের চোখের সামনে এসব অবৈধ পরিবহন তৈরি হলেও তারা কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নিচ্ছে না। যে কারণে প্রতিদিনই এই অবৈধ ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা বেড়েই চলছে।

    এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জনকণ্ঠকে জানান, পৌর এলাকার সড়কের মধ্যে অবৈধভাবে অটো রিক্সার পার্কিং করা হলে তাদেরকে উচ্ছেদ করে সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Sodann ist und bleibt das gewunschte Absolutwert angegeben & sera darf heute ecoAccount weiters ecoCard gewahlt seien

    Zig Einzahlungsmethoden weisen ausgewahlte Limits auf & eres konnte sein, dass auf keinen fall speziell viel geld eingezahlt sie...