More

    ভোলায় চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত

    অবশ্যই পরুন

    ভোলার দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। ফলে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে ছুটতে হয় জেলা সদরসহ অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন চিকিৎসক থাকার কথা। কিন্তু বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৬ জন, যার মধ্যে একজন অনুমতিবিহীন ছুটিতে আছেন। এর বাইরেও দু-একজন প্রায়ই ছুটিতে থাকেন।

    ফলে প্রতিদিন শত শত রোগীর চাপ সামলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক রোগী সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেয়ে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক বা ভোলা সদর হাসপাতালে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চিকিৎসক না থাকায় তাদের অনেক সময় নার্স ও সহকারী মেডিকেল অফিসারের ওপর নির্ভর করতে হয়। তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেন চিকিৎসা দিতে; কিন্তু সব রোগীকে একসঙ্গে দেখভাল করতে পারছেন না।

    জরুরি রোগীদের কারণে অন্য রোগীরা সঠিক সময়ে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এমন অবস্থা চলছে দীর্ঘদিন ধরেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না থাকায় স্থানীয়রা ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন। বাধ্য হয়ে তারা বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে যাচ্ছেন। এতে রোগীদের সময় ও অর্থ উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আর যাদের সামর্থ্য নেই, তারা চিকিৎসার বাইরেই থেকে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, চিকিৎসক সংকটের কারণে নার্স ও স্টাফদের ওপর দায়িত্বের চাপ অতিরিক্ত বেড়ে গেছে।

    অনেক সময় তাদেরও ক্লান্তি ও মানসিক চাপ দেখা দেয়। আবার রোগীরা চিকিৎসা না পেয়ে ঘরেই অসুস্থ অবস্থায় অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। স্থানীয়রা আশা করছেন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নেবে, যাতে দৌলতখানবাসী স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা পায়। রোগীদের ভোগান্তি কমে আসে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে, তবে এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

    শুধু আশ্বাস নয়, সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে রোগীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) নয়ন চন্দ্র রায় বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ২৫০ জন রোগীকে চিকিৎসা দিতে হয়। চিকিৎসক সংকটের বিষয়টি এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। খুব শিগগির চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, চিকিৎসক সংকটের কারণে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ পেলে দ্রুত এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    This program includes multiple inspections and you may stability that be certain that max gambling enterprise results

    The new certification arrangement one UKGC provides set up ensures that there is certainly one less topic worrying users...