More

    বোরহানউদ্দিনে আওয়ামী লীগ নেতার নিয়ন্ত্রণে দুই সারের ডিলারশিপ, প্রশ্নের মুখে কৃষি বিভাগের ভূমিকা

    অবশ্যই পরুন

    ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা উপজেলায় স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার নিয়ন্ত্রণে দুইটি সারের ডিলারশিপ পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা কৃষি অধিদপ্তরের নীতিমালা ও তদারকি নিয়ে স্থানীয় কৃষক এবং সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে একাধিক ডিলারশিপ থাকায় বাজারে প্রতিযোগিতা কমে যাচ্ছে এবং কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন।

    বুধবার (১৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দেউলা ইউনিয়ন ও পক্ষিয়া ইউনিয়ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে শহিদুল্লাহ হাওলাদার নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতার নামে বা তার নিয়ন্ত্রণে দুইটি সারের ডিলারশিপ পরিচালিত হয়ে আসছে।

    কৃষক ও স্থানীয়দের দাবি, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে শহিদুল্লাহ হাওলাদার  দীর্ঘ সময় ধরে উপজেলার দেউলা ও পক্ষিয়া ইউনিয়নের ডিলারশিপ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন।

    এদিকে অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইউনিয়ন ভিত্তিক নতুন সারের ডিলার নিয়োগে শহিদুল্লাহ হাওলাদার তার আরো অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন ব্যক্তিকে দিয়ে নামে বে-নামে আবেদন করেছেন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার  যোগসাজশে নতুন ডিলারশিপ পাওয়ার দেন-দরবার চলছে,এতে একই ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে একাধিক ডিলারশিপ থাকায় নতুন ব্যবসায়ীরা ডিলারশিপ পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পাশাপাশি সারের সরবরাহ, মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও বণ্টন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    পক্ষিয়া ইউনিয়নের কৃষক আলী হোসেন,দেউলা ইউনিয়নের কৃষক আবদুর রব অভিযোগ করে বলেন, মৌসুমভিত্তিক চাহিদার সময় অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ সার পাওয়া যায় না। এ সুযোগে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করেন শহিদুল্লাহ হাওলাদার,

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ডিলার শহিদুল্লাহ হাওলাদার। তিনি বলেন, “আমার ভাইয়ের ছেলের নামে থাকা ডিলারশিপ আমি দেখভাল করি। দাপ্তরিক কার্যক্রম ও স্বাক্ষরের কাজ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিই করে। নিয়ম মেনেই ব্যবসা পরিচালনা করছি, কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই।”

    এসব বিষয়ে কোনো সুদুত্তর  দিতে পারেননি  উপজেলা কৃষি অফিসার গোবিন্দ কুমার মন্ডল, তিনি বলেন সারের ডিলারশিপ সংক্রান্ত নীতিমালা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

    স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, কৃষি খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সারের ডিলারশিপ বণ্টনে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকৃত কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    How it operates currently answers a highly specific you want, and frequently which is enough

    Flexepin and debit cards each other support simple local casino deposits, nevertheless they works differently I really don't consider all...