More

    ঝালকাঠি পৌর স্টেডিয়াম: অবহেলা আর অনিয়মের শিকার

    অবশ্যই পরুন

    যুবসমাজের আশা ফিকে হয়ে যাচ্ছে ঝালকাঠি পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ খেলার মাঠ, যা একসময় যুবকদের খেলাধুলার স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু ছিল, আজ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধ্বংসের মুখে। শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নামে পরিচিত এই স্থাপনাটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ‘উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় নির্মিত হয়েছে। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্প্রতি ‘শেখ রাসেল’ নামটি বাদ দিয়ে এটিকে ‘ঝালকাঠি পৌর স্টেডিয়াম’ নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। গ্যালারি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বাউন্ডারি ওয়াল এবং লাইটিংয়ের বেশিরভাগ কাজ অসম্পূর্ণ বা ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। মাঠে ঘাসের অভাবে ধুলোবালি উড়ে, জলজমা থাকে এবং বর্ষাকালে খেলা একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। ড্রেসিং রুম, টয়লেট এবং দর্শক গ্যালারি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যা খেলোয়াড়দের জন্য চরম অসুবিধা সৃষ্টি করছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি এখন গরু-ছাগল চরানোর জায়গা এবং মেলা-সমাবেশের অস্থায়ী ভেন্যুতে পরিণত হয়েছে। ফুটবল এবং ক্রিকেটের নিয়মিত প্র্যাকটিস প্রায় বন্ধ, যা যুবসমাজের ক্রীড়া উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তবে স্টেডিয়ামটি সম্পূর্ণ অকেজো নয়। ২০২৫ সালে এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেমন জুলাই স্মৃতি ডে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্ট নভেম্বর মাসে,ক্রিকেট ট্যালেন্ট হান্ট মে মাসে,এবং বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অক্টোবরে।এছাড়া জাতীয় দিবস, উন্নয়ন মেলা এবং রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে এটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। মে মাসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতায় ক্রীড়া কার্যক্রমও এখানে চলেছে।এসব অনুষ্ঠান সত্ত্বেও, স্থানীয় ক্রীড়া সংস্থা এবং যুবকরা বলছেন যে দৈনন্দিন খেলাধুলার জন্য এটি অকার্যকর। স্থানীয় বাসিন্দা এবং খেলোয়াড়দের দাবি, দ্রুত সংস্কার করে যুবকদের খেলাধুলার সুযোগ ফিরিয়ে দেওয়া দরকার। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের জন্য স্থানীয় ক্লাবগুলোকে দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও উঠেছে। জাতীয় পর্যায়ে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি উপজেলায় পর্যায়ক্রমে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে,যা ঝালকাঠির মতো এলাকায় আশার আলো দেখাতে পারে। কিন্তু ঝালকাঠির যুবসমাজের একমাত্র আশার জায়গা এই মিনি স্টেডিয়ামটি যদি দ্রুত সংস্কার না হয়, তাহলে জেলার ক্রীড়াঙ্গন আরও পিছিয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সকলে।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Как инновации способствуют находить соратников

    Как разработки помогают обнаруживать единомышленников Современные инновации фундаментально трансформировали формы взаимодействия между индивидами, создав беспрецедентные перспективы для поиска тех, кто...