More

    জমজমাট বরিশালের তরমুজ বাজার, দাম নিয়ে অসন্তোষ ক্রেতাদের

    অবশ্যই পরুন

    পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীসহ জেলার বিভিন্ন বাজারে জমজমাট হয়ে উঠেছে তরমুজের বাজার। প্রতিদিনই দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রলার, ট্রাক ও পিকআপভর্তি তরমুজ আসছে বরিশালের পাইকারি ও খুচরা বাজারে।

    তবে সরবরাহ বাড়লেও খুচরা বাজারে তুলনামূলক বেশি দামে তরমুজ বিক্রি হওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সকাল থেকে বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড, বন্দর রোড, নতুন বাজার, নথুল্লাবাদ, বাংলা বাজার ও চৌমাথা বাজার এলাকার বিভিন্ন ফলের বাজার ঘুরে দেখা যায় বড়, মাঝারি ও ছোট আকারের বিভিন্ন জাতের তরমুজে বাজার সেজে উঠেছে।

    দোকানগুলোর সামনে স্তূপ করে রাখা হয়েছে লাল-সবুজ রঙের তরমুজ। ক্রেতাদেরও ভিড় দেখা গেছে বিভিন্ন দোকানে। ব্যবসায়ীরা জানান, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি এবং বরিশালের চরাঞ্চল থেকে এসব তরমুজ বাজারে আসছে। অনেক ব্যবসায়ী বরিশালের পাইকারি বাজার থেকে তরমুজ কিনে আবার দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠাচ্ছেন।

    ফলে স্থানীয় বাজারেও তরমুজের চাহিদা বেশ বেশি। বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকার ও মানভেদে প্রতিটি তরমুজ ৩৫০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হচ্ছে। আবার অনেক দোকানে কেজি হিসেবে ৬০ থেকে ৮৫ টাকা দরে তরমুজ বিক্রি করতে দেখা গেছে। তুলনামূলক বড় ও উন্নত মানের তরমুজের দাম আরও বেশি রাখা হচ্ছে। নগরীর পোর্ট রোড এলাকার তরমুজ ব্যবসায়ী মো. শাহীন মিয়া বলেন, রমজান শুরু হওয়ার পর থেকেই তরমুজের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। প্রতিদিন ভোরে ট্রাকে করে তরমুজ বাজারে আসে।

    তবে পরিবহণ খরচ, শ্রমিক মজুরি এবং পাইকারি দামের কারণে খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি পড়ছে। বটতলা বাজার এলাকার ফল ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, এখন বাজারে আগাম জাতের তরমুজ বেশি আসছে। সামনে এপ্রিলের দিকে আরও বেশি তরমুজ উঠবে। তখন সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমে আসবে। তবে তরমুজের দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেক ক্রেতা।

    নগরীর চৌমাথা এলাকার বাসিন্দা রাশেদ মাহমুদ বলেন, রমজানে ইফতারে তরমুজ খাওয়ার জন্য কিনতে এসেছি। কিন্তু একটি তরমুজের দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা বেশ ব্যয়বহুল। আরেক ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, রমজান এলেই তরমুজের চাহিদা বাড়ে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় সেই সুযোগে দামও বাড়ানো হয়।

    বাজারে যেন অযৌক্তিক দাম না বাড়ে, সেজন্য প্রশাসনের নজরদারি প্রয়োজন। তবে স্থানীয়দের দাবি, রমজানকে কেন্দ্র করে ফলের বাজারে যেন কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত দাম না বাড়ে সে জন্য নিয়মিত বাজার তদারকি করা জরুরি। এতে একদিকে যেমন সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তি পাবেন, অন্যদিকে কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে পারবেন।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Aus diesem grund ermoglicht unseren Homepages beilaufig gleichwohl deutsche Gangbar Casinos mit Whitelist Antrag

    Bei unseren genauen Checks ein erfolgreichsten Online Casinos und Sielotheken hinein Teutonia geben Aspekte genau so wie welches ...