More

    মঠবাড়িয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করে তহসিলদারের সহযোগিতায় জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

    অবশ্যই পরুন

    স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করে ৬ নং টিকিকাটা ইউনিয়ন সহকারী (ভূমি) কর্মকর্তার (তহসিলদার) সহযোগিতায় প্রভাবশালীরা জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা চরম হতাশায় ভূগছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য হারুণ হাওলাদার জানান, উপজেলার পশ্চিম সেনের টিকিকাটা মোৗজার জেএল-৩৬-এ ৩৫.৬৩ একর জমির রেকর্ডিও মালিক রওশন আলীর ছেলে আব্দুল বারী পহলান।

    এ সম্পত্তির মধ্যে ৫. ৫১ একর জমি নিয়ে স্থানীয় তহসিলদারের কারণে প্রভাবশালীদের সাথে বিরোধ সৃস্টি হয়। যার সিএস- ২৫, আরএস- ৪২২ সংশোধনী ৪২৪. দাগ নং-১২৬১, ১২৬২, ১২৬৩, ১২৬৪, ১২৬৫ ও ১২৬৬. বিভিন্ন সময় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে কথিত ডিসিআর নিয়ে কিছু সম্পত্তি দখলে নেয়। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার জন্য আব্দুল বারীর ছেলে মোঃ আঃ ছোমেদ ছন্দু বিজ্ঞ আদালতে মামলা (নং-২৫০/০৭) করেন। ২০০৯ সালে তিনি এ মামলার রায় পান।

    আব্দুল বারী মারা যাবার পর ওয়ারিশ হিসেবে ওই সম্পত্তির মালিক হন মোঃ আঃ ছোমেদ ছন্দু ,বাবুল পহলান, হারুন হাওলাদার সহ অন্যান্যরা। ২০০৯ সালেই জমির মালিক পক্ষ মোঃ আঃ ছোমেদ ছন্দু সহ অন্যান্য ওয়ারিশরা জমির মিউটেশন করার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু তৎকালীন সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ ডিসিআর মালিকদের দ্বারা ওই রায়ের বিরুদ্ধে ছানি দেওয়ানী(নং- ১৭/ ২০১০) করান। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ১০ তারিখ বিজ্ঞ আদালত ওই মকোদ্দমা খারিজ করে দেন।

    পরবর্তীতে মোঃ আঃ ছোমেদ ছন্দুর দায়েরকৃত ডিগ্রি জারি দেওয়ানী মামলা (নং-১/২০১০) এর বলে বিজ্ঞ আদালত সরেজমিনে এসে ঢোল-সুরত বাজিয়ে লাল নিশান ঝুলিয়ে জমির মালিক মোঃ আঃ ছোমেদ ছন্দু সহ অন্যান্য ওয়ারিশদের পূর্ণ জমি দখল বুঝিয়ে দেন।

    এদিকে আবারও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে জেলা প্রশাসক অবধৈ ডিসিআর বহাল রাখতে উচ্চ আদালতে আপিল করেন। জানা গেছে, ২২ সালের ১০ আগস্ট এ মামলা রায় প্রদান কালে বিজ্ঞ আদালত প্রমাণ পান যে জেলা প্রশাসকের দায়েকৃত মামলা ভিত্তিহীন এবং ওই সম্পত্তি মোঃ আঃ ছোমেদ ছন্দু এবং তার অন্যান্য ওয়ারিশদের পৈত্রিক সম্পত্তি। জমিদাতা ইচ্ছাকৃতভাবে সরকারকে আরো জমি দিয়ে সহযোগিতা করেছেন। একাধিক শুনানি ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত সন্তুষ্ট হইয়া মোঃ আঃ ছোমেদ ছন্দু এবং অন্যান্য ওয়ারিশদের পক্ষে দুতরফা রায় দেন।

    হারুণ হাওলাদার জানান ক্ষোভের সাথে আরও বলেন, এতো কিছুর পরেও শতকোটি টাকার সম্পত্তি দখলের জন্য তহসিলদারের ইন্দোনে অবৈধ ডিসিআর মালিকরা স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে জেলা প্রশাসক এর মাধ্যমে আবারো নতুন করে জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেন।

    পরিশেষে জমির মালিক পক্ষ সুপ্রিম কোর্টে একটি রিভিশন মামলা দায়ের করেন। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারক সন্তুষ্ট হইয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের রায় ও আদেশ স্থগিত করে রুল জারি করেন। একই সাথে ওই জমির উপর ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এদিকে স্থানীয় প্রভাবশালীরা উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে তৌসিলদারকে ম্যানেজ করে ওই সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের পাঁয়তারা চালায়।

    জমির সীমানার মধ্যে প্রবেশ করে বেড়া দিয়ে মিল ও ভবন নির্মাণের চেষ্টা করে এবং মালিক পক্ষকে ফাঁসাতে নিজেরাই সীমানা বেড়ায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে সরেজমিনে গেলে অভিযুক্ত তহসিলদার মোঃ আবুল বাশার কোন মন্তব্য করতে রাজি হন নি।

    মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারি কমিশণার (ভূমি) মোঃ রাইসুল ইসলাম বলেন, শুধুমাত্র সরকারি সম্পত্তি (ভূমি অফিস) দেখভালের দায়িত্ব আমার। এর বাহিরে যদি মালিকানা সম্পত্তি থাকে, সেটা জমির মালিক ও বিজ্ঞ আদালতের বিষয়। এখানে আমাদের কোন হস্তক্ষেপ নাই।

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সর্বশেষ সংবাদ

    Dlaczego rejestracja w Vox Casino się zacina: typowe opóźnienia i rozwiązania

    Spis treściNajczęstsze błędy podczas wypełniania formularza rejestracyjnegoWeryfikacja konta i dokumentów (proces KYC)Problemy techniczne po stronie kasyna i graczaBonus powitalny...